মহিলাদের ঘুমের সমস্যাঃ
শতকরা প্রায় ৬০ ভাগের অধিক মহিলারা নিয়মিত ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। যা নানান স্বাস্থ্যগত সমস্যার সৃষ্টি করে যার মধ্যে হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মত রোগও রয়েছে। তাহলে ভাবুন ঘুম কতটা জরুরী – দিনে অন্ততঃ সাত ঘন্টা... কিন্তু কিভাবে? আসুন চেষ্টা করিঃ
[স্লাইড ১] ঘুমের অভয়ারন্য (উপযোগী পরিবেশ) তৈরী করুন
আপনার বেডরুমটিকে শুধুমাত্র ঘুমানো আর অন্তরঙ্গতার জন্য সংরক্ষিত রাখুন। রাখুন উপদ্রবহীন। শোবার ঘর থেকে টেলিভিশন, কম্পিউটার সরিয়ে অন্য ঘরে রাখুন। সেলফোন বা ডিজিটাল কোন যন্ত্র কিংবা অন্য কোন বিনোদনের বস্তু দূরে রাখুন, এগুলো শোবার ঘরে না রাখাই ভাল।
[স্লাইড ২] দিনের বেলা হালকা ঘুম বাদ দিন
দুপুরের পর ঘুমে ঢুলু ঢুলু? ঘুমিয়ে নিন এক/দুই ঘন্টা। গতরাতে ঘুম কম হওয়াটা হয়তো একটু পুষিয়ে নিলেন, কিন্তু মনে রাখতে হবে এটা পরবর্তি রাতের ঘুমের জন্য ক্ষতিকর এবং ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে দেয়।
[স্লাইড ৩] বাদ দিন বিকেলে চা-কফি-এলকোহল
আপনি জানেন কি ক্যাফেইন শরীরে প্রায় ১২ ঘন্টা অবদি কার্যকর থাকে। আর এলকোহল? যদিও এটা কিছুটা সিডেটিভ হিসাবে কাজ করে কিন্তু ঘুমের ক্ষতি করে তারও বেশি।
[স্লাইড ৪] ব্যায়ামটা নিয়মিত চালিয়ে যান
হ্যাঁ! ব্যায়ামটা নিয়মিত চালিয়ে যান, তবে ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘন্টার মধ্যে অবশ্যই নয়। কারন ব্যায়াম স্বল্পকালীন শারীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
[স্লাইড ৫] দীর্ঘদিনের সমস্যাটার প্রতি নজর দিন
আপনি যদি দিনের পর দিন ঘুম থেকে বঞ্ছিত হয়ে থাকেন, তাহলে এখনই সেটা উঁসুল করে নিন। আজই ছুটি নিয়ে বেড়ানোর পরিকল্পনা নিন। তবে সেটা যেন ঝটিকা সফর না হয়। আর সেখানে আলার্ম ঘড়ি বন্ধ করে দিয়ে স্বাভাবিক ঘুমটা ঘুমিয়ে নিন যতক্ষন না আপনি নিজে থেকে জেগে উঠছেন।
[স্লাইড ৬] পুরনো অভ্যাসে ফিরে যাওয়া আর নয়
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া আবার একই সময় ঘুম থেকে জেগে উঠার চেষ্টা করুন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিগত সপ্তাহের ক্ষতি হওয়া ঘুম কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারেন।
সূত্রঃ হেলথবীট, হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল
সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

