home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

হার্ট অ্যাটাক রোধে মাছের তেল
২৩ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  prevent heart attack  
  Viewed#:   202

হার্ট অ্যাটাকের পর মাছের তেল নিয়মিত খেলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়। ১১ সহস্রাধিক হৃদরোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, এদের মধ্যে যারা হার্ট অ্যাটাকের পর মাছের তেল অর্থাৎ ভিটামিন-ই ক্যাপসুল খাচ্ছেন, তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ১৫ শতাংশ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিয়েন্সে আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজির সাম্প্রতিক এক সভায় গবেষকেরা জানান, তারা সাড়ে তিন বছর ধরে এ বিষয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। তারা দেখেছেন, মাছের তেলের ক্যাপসুল যেসব হৃদরোগীকে খাওয়ানো হয়েছে তারা সুস্থ আছেন। পক্ষান্তরে যাদের মাছের তেল ছাড়া নকল ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে তাদের মৃত্যুবরণের সংখ্যা অনেকটা বেশি। হৃৎপিণ্ড ও হাড়ের জন্য ভিটামিন-ডি এমন অনেক স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে, যা কিছু কিছু রোগের সাথে অত্যন্ত সঙ্গতিপূর্ণ। যেমন হাড় নরম হওয়া, কিডনি সমস্যা, লিভারের অসুখ এবং বর্তমানে কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিউর প্রভৃতি। সম্প্রতি কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব হাইডেলবার্গ জার্মানির যুগ্ম গবেষণায় এটি প্রতীয়মান হয়, ১০১ রোগীর প্রায় অর্ধেকেই যাদের কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিউর আছে, তাদের ক্ষেত্রে অস্টিওপেরোসিস অর্থাৎ অস্থি নরম হওয়া এবং পরে ভেঙে যাওয়া অর্থাৎ অস্থি হালকা হওয়া পরিলক্ষিত হয় এবং এ সমস্যা পুরুষের চেয়ে মহিলাদের মধ্যেই বেশি লক্ষ করা যায়, সেই সাথে ভিটামিন ‘ডি’-এর নিম্নমাত্রা পরিলক্ষিত হয়।

ভিটামিন-ডি শুধু ক্যালসিয়াম শোষণ ও বিপাকে সহায়তা করে হাড়কে সুস্থ রাখে না, রক্তনালীর দেয়ালকে সমৃদ্ধ করে এবং হৃদপেশির কার্য ক্ষমতাকেও সমভাবে বৃদ্ধি করে। তবে একটি ব্যাপার এখনো পরিষ্কার নয়, কেন হার্ট ফেইলিউর ভিটামিন-ডি কমে যায়। তবে ধারণা করা হয়, সূর্যের আলোর সংস্পর্শে কম আসায় ভিটামিন-ডি নিঃসরণে সহায়ক শোষণের পরিমাণ কমে যায় অথবা লিভারের জটিলতা দেখা দেয়, যা ভিটামিন-ডি তৈরিতে বড় রকমের অন্তরায়। উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন-সি যারা নিয়মিত ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খান তাদের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে চালিত এক গবেষণায় এটি প্রমাণিত হয়েছে। গবেষকদের মতে, যেসব লোক নিয়মিত ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার খান, তাদের ক্ষেত্রে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি ৫৫ শতাংশ কম। যদিও নতুন কিছু গবেষণা ফলাফলে দেখা গেছে লবণ সব লোকের রক্তচাপ বৃদ্ধি করে না; তথাপি এটি সত্য যে, কিছু কিছু লোক সোডিয়াম একেবারেই সহ্য করতে পারেন না। তাই এসব লোকের নিরাপত্তার খাতিরে খাবার সময় কাঁচা লবণ খাওয়া পরিহার করা উচিত এবং অধিক লবণজাত খাবার যেমন পনির, মাখন, টিনজাত খাবার, লবণ দেয়া মাছ প্রভৃতি না খাওয়া উত্তম। বরং তাদের জন্য লবণের বিকল্প হিসেবে লেবু, আমচুর, তেঁতুলের চাটনি, জয়ফল, আদা, রসুন, পেঁয়াজ ব্যবহৃত হতে পারে। কারণ এগুলোয় রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভিটামিন-সি ও অন্যান্য উপকারী উপাদান, যা রক্তনালীর পেশিগুলোকে প্রসারিত করে রক্তচাপ কমায়। ফলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি থাকে না বলেই চলে। এ ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপের বিপত্তি থেকে বাঁচার জন্য বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলুন।তবে যদি আপনার বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন যতটুকু হওয়া উচিত ওজন যদি তার চেয়ে ২০ কেজি বেশি হয় তবে আপনার উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেশি। 

সুতরাং উচ্চ রক্তচাপের বিপত্তি এড়াতে চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করে প্রচুর ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার, সবুজ শাকসবজি খাবারের দিকে মনোযোগী হোন। ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের যতœ ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরের প্রতি বিশেষ যতœ নিতে হয়। তা না হলে অনেক সমস্যা হয়। যেসব অঙ্গের সমস্যা হয় তার মধ্যে পা অন্যতম। তাই আসুন জেনে নিই কিছু টিপস, যাতে আমরা সহজেই পায়ের অসুবিধা এড়িয়ে চলতে পারিÑ ১. খালি পায়ে হাঁটবেন না। নরম ও আরামদায়ক জুতা পরে হাঁটবেন। ২. পায়ে অত্যধিক গরম পানি ঢালবেন না। ৩. পায়ে যেন কোনো আঘাত না লাগে বা ক্ষত না হয়। পায়ের রঙের কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ৪. নিয়মিত পায়ের নখ কাটবেন। আঙুলে যাতে আঘাত না লাগে সে দিকে নজর দিতে হবে। ৫. পায়ের কড়া নিজে কাটবেন না। ময়লা বা ভিজে মোজা পরবেন না। ৬. রোজ পায়ের ব্যায়াম করুন, যাতে রক্ত চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়। ৭. প্রতিদিন পা ভালো করে ধুয়েমুছে রাখবেন। পায়ের দুই আঙুলের ফাঁকের পানি ভালোভাবে পরিষ্কার করুন।


সূত্র -দৈনিক নয়া দিগন্ত
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ধূমপান এবং মদের ব্যবহার
Previous Health Tips: সাঁতারের কিছু টিপস

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')