home top banner

Health Tip

চশমা বদলাতে চাইলে
15 September,13
  Viewed#:   221

ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ রোগীদের রক্তের সুগারের ওঠানামার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তিও পরিবর্তিত

হয়। তাই ডায়াবেটিক রোগীর চশমা নেয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা জরুরি-

* চশমা নেয়ার আগে সুগার বা চিনির মাত্রা নির্ণয় করে নিতে হবে। রক্তে চিনির মাত্রা বেশি হলে সে মুহূর্তে চশমা

বদল করা উচিত হবে না। কারণ সুগার নিয়ন্ত্রিত হওয়ার পর তা দৃষ্টিশক্তির সঙ্গে খাপ খাবে না।

* রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এক্ষেত্রে একেবারে স্বাভাবিক পর্যায়ে চিনির মাত্রা থাকতে হবে, এমন

কোনো কথা নেই। তবে তা ১০ মিলিমোল/লিটারের নিচে হতে হবে। খালিপেট ও ভরাপেটে রক্তে চিনির মাত্রার

পার্থক্য চার মিলিমোল/লিটারের মধ্যে থাকা ভালো।

* আপনার বাসায় যদি গ্লুকোমিটার থেকে থাকে তাহলে চক্ষুবিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়ার আগমুহূর্তে রক্তে চিনির

মাত্রা জেনে নিন এবং তা বিশেষজ্ঞ চিকি সককে জানান।

পরীক্ষার্থীর ক্ষেত্রে

চোখ ও মাথাব্যথায় আক্রান্ত হলে পরীক্ষার্থী সন্তানকে নিয়ে মা-বাবার দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। অনেক

ক্ষেত্রে দেখা যায়, সন্তানরা স্কুল বা কোচিং সেন্টার থেকে বাসায় ফিরেই মা-বাবার কাছে মাথাব্যথার উপসর্গের

কথা জানায়। ‘দূরে দেখা যায় না’, ‘সামান্যক্ষণ পড়াশোনা করলেই মাথাব্যথা হয়’, ‘মনোযোগ থাকে না’ ইত্যাদি

উপসর্গের কথা তারা বলে থাকে। এক্ষেত্রে তড়িঘড়ি করে মা-বাবা তাদের চক্ষুবিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।

কী করবেন

* শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা কোচিং সেন্টার থেকে বাসায় ফিরে এসে বা গৃহশিক্ষকের কাছে পড়া শেষ করার পরপরই

চক্ষুবিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যাবেন না। কেননা এ সময় ছেলেমেয়েদের চোখ ক্লান্ত থাকে। ক্লান্ত চোখের

অন্তঃস্থিত পেশি স্বাভাবিক অবস্থায় না থাকায় সে সময় চোখে এক ধরনের দৃষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। তাই এ

সময় চশমা নেয়া হলে তা সঠিক মাত্রার হবে না।

* বিশেষজ্ঞ চিকি সকের কাছে পরামর্শ নেয়ার আগে আপনার সন্তানকে চোখের বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ দিন।

প্রয়োজনে যেদিন তাকে চিকি সকের কাছে নিয়ে যাবেন, সেদিন ঘণ্টা দুয়েকের জন্য পড়াশোনা থেকে বিরত রাখুন।

প্রয়োজনে তাকে ঘুমাতে দিন।

* বিশেষজ্ঞ চিকি সককে প্রথম দিকে যাতে দেখাতে পারেন সে জন্য আগেই নাম তালিকাভুক্ত করুন। অর্থা 

পরীক্ষার্থী নিয়ে দীর্ঘ ‘সিরিয়ালের’ পরিবর্তে প্রথম দিকেই পরামর্শ নিন। এতে আপনার সন্তানের চোখের

পরীক্ষাটাও ভালো হবে।

সূত্র - দৈনিক যুগান্তর

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ছোলায় আছে মাছ-মাংসের গুণ
Previous Health Tips: এন্ডোস্কোপি

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')