home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

কতদিন পাগলামি করেননি বলুন তো?
২০ অগাস্ট, ১৩
  Viewed#:   182

এই প্রশ্নটা বিশেষত তাদের জন্য যারা এই আধুনিক জীবনে তাল মেলাতে মেলাতে বড় ক্লান্ত। জীবনে সব

থেকে যেটা বেশি প্রয়োজন সেটা হলো ভালো থাকা, যা কিনা আমরা ভুলে যাই জীবনেরই তাড়নায়।

ভালো থাকতে লাগবে একটু চেষ্টা যার শুরু পাগলামি দিয়ে। নিজেকে শিশু মনে করে দেখুন তো

একবার...

    পাগলামির শুরুটা হতে পারে বাংলা সিনেমা দেখে। যেমন- ‘প্রেমের মরা জলে ডোবেনা (দ্য সাবমেরিন)

। তবে আপনার সঙ্গীকে অবশ্যই হতে হবে অগতানুগতিক। সঙ্গী নির্বাচন করুন এমন একজনকে যার

কথা আপনি ভাবতে পারেন না।

    গরমকাল পাগলামির শ্রেষ্ঠ সময়। খুব মন খারাপ বা বিরক্ত, তাহলে ৩-৪ বার গোসল করুন।

শ্যাম্পু দিয়ে কয়েকবার মাথা ধোবেন এবং চিৎকার করে কোনো গান গাইবেন। অবশ্যই যেন

সেটা ঝরনার নিচে হয়। অথবা যদি সুযোগ পান বন্ধুদের নিয়ে নেমে পড়তে পারেন পুকুর অথবা

সুইমিং পুলে। সব ভুলে আপনিও মেতে উঠতে পারেন নির্মল আনন্দে। 

    পাগলামির শ্রেষ্ঠ উপায় অন্যকে ভয় দেখানো। যেমন- তেলাপোকা, টিকটিকি বা মাকড়সা

(মোটামুটি জগদ্ববিখ্যাত ভয়ের বস্তু)। ঠিক করুন পরিবারের কাকে ভয় দেখাবেন। উঠে পড়ুন

মৃত তেলাপোকা নিয়ে আর শুরু করে দিন কার্যক্রম। বিশেষ সতর্কবাণী : বস্তুটি যেন সত্যিই

মৃত হয়, না হলে...! তবে এমন ভয় দেখাবেন না, যা কোনো দুর্ঘটনার কারণ হয়।

    কারো যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ জীবন, তাহলে এক কাপ চা বানান। চামচ দিয়ে নাড়তে থাকুন এবং

যত গালিগালাজ আছে করুন চা ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ফেলে দিন।

    হঠাৎ একদিন ঘণ্টা হিসেবে রিকশা ভাড়া করুন এবং রিকশাওয়ালা ভাইয়ের সাথে সুখ-দুঃখের আলাপ করুন

ললি খেতে খেতে। কখনো রিকশা থামিয়ে ফুটপাথের দোকান থেকে আপনারা দুজন দুকাপ চা খেয়ে নিতে

পারেন। দেশ, জাতি, সরকার নিয়ে যে আপনি ইদানিং খুব চিন্তায় আছেন, সেটা তাকে বলুন এবং

অবশ্যই তার মতামত নিন। আর হ্যাঁ, অবশ্যই চালের কেজি কত জিজ্ঞেস করবেন।

পাগলামির কিন্তুশেষ নেই। সেই সাথে পাগলামিও কখনও টিপস দিয়ে হয় না। এইখানে শুধুএকটুধারণা দেওয়া

হলো। আপনি নিজে আবিষ্কার করুন কোন পাগলামিতে আপনি বেশি আনন্দ পান।

তবে লক্ষ রাখবেন আপনার আনন্দ যেন অন্যের ক্ষতির কারণ না হয়। যতক্ষণ না মনে হবে যে ‘আপনি

কি পাগল! এসব কী করছেন!’ ততক্ষণ চালিয়ে যান আর প্রাণ খুলে হাসুন। জীবন খুব ছোট ও

ঝামেলাপূর্ণ। তাই পাগলামি করুন ও ভালো থাকুন।

সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বাদল দিনে ত্বকের উজ্জ্বলতা রক্ষায়
Previous Health Tips: কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম এবং চোখের যত্ন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')