home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

হামের বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিরোধে টিকা
১৪ জুলাই, ১৩
  Viewed#:   108

হামের বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিরোধে টিকা



হাম হলে দেখা যায় বাদামি ও গোলাপি রং-এর ফুসকুড়ি৷ তার ওপর প্রচণ্ড জ্বর, সর্দি-কাশিও



হয়৷ সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো হামের ভাইরাস, যা শরীরের প্রতিরোধ শক্তি দুর্বল করে



দেয়৷ তাই আক্রান্তরা সহজেই অন্য অসুখের কবলেও পড়তে পারে৷



জার্মানিতে হাম নির্মূল হয়নি



অ্যামেরিকায় হাম নির্মূল হয়ে গেলেও জার্মানিতে এখনো রয়ে গেছে অসুখটি৷ জার্মানিতে বছরে গড়ে



১২২ থেকে ২৩০৮-এর মতো মানুষ আক্রান্ত হন হামে৷ কয়েক জন মারাও যান৷



এখন বার্লিন ও বাভারিয়ায় হামের প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে৷ জার্মান স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়



থেকে জানানো হয়েছে যে, এ বছরের প্রথম ছয় মাসে ৯০০ জনেরও বেশি হামে আক্রান্ত



হয়েছেন৷



এখানে প্রশ্ন জাগতে পারে হাম প্রতিরোধে টিকার ব্যবস্থা থাকলেও এত মানুষ কীভাবে রোগটিতে



আক্রান্ত হচ্ছে? দেখা গেছে সবাই এই টিকা নিচ্ছে না৷ বিশেষ করে ৯০-এর দশকে টিকা



নেওয়ার হারটা কম ছিল৷ তাই আজকের ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের হামে আক্রান্ত



হওয়ার ঝুঁকিও বেশি৷



চিকিৎসকদের মতে দু'বার এই টিকা নেওয়া উচিত৷ একবার জন্মের পর ১১ থেকে ১৪ মাসের



মধ্যে৷ আর দ্বিতীয়বার প্রথম টিকার নেয়ার চার সপ্তাহ পর৷ দ্বিতীয় টিকাটি নিলে হামকে



প্রায় পুরোপুরি প্রতিরোধ করা যায়৷



টিকাকে বাধ্যতামূলক করার চিন্তাভাবনা



ভবিষ্যতে হামের হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে টিকাকে বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে বলে মনে করেন



স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডানিয়েল বার৷ বসন্ত রোগের ব্যাপারে এই রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল



একবার৷



অ্যামেরিকায় স্কুলে ভর্তি হওয়ার সময় বাচ্চারা দু'বার হাম, মাম্পস ও রুবেলা প্রতিরোধী,



এমএমআর টিকা নিয়েছে কিনা – তা দেখা হয়৷ স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলিতে স্বেচ্ছায় টিকা



নিতে প্রণোদিত করা হয়৷ দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্সরা বিভিন্ন পরিবারের সঙ্গে বাচ্চাদের



টিকা দেওয়ার ব্যাপারে পরামর্শ দেন৷ ফেডারেল অ্যাসোসিয়েশন অফ দ্য পেডিয়েট্রিয়ান



বা কেন্দ্রীয় শিশু চিকিত্সক অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রধান ভলফ্রাম হার্টমান অবশ্য



বাধ্যতামূলক টিকা দানের ব্যাপারে তার মত ব্যক্ত করেছেন৷



বর্তমানে যে ভাবে হামের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে, তাতে মা-বাবার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে



থাকা যায় না৷ এক্ষেত্রে আইন-কানুনও রয়েছে৷ অত্যন্ত বিপজ্জনক ভাইরাসের বেলায়



বাচ্চাদের বাধ্যতামূলক টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করতে পারে রাষ্ট্র ৷



ভিন্নমত অনেকের।



অন্যদিকে ‘অলটারনেটিভ প্র্যাকটিশনার' মিশাইল ফ্রিডল মনে করেন, টিকা নেয়ার ব্যাপারে জোর



করা ঠিক নয়৷ এছাড়া শৈশবে টিকা দেয়াটা সবসময় নিরাপদও নয়৷ তার মতে বাচ্চাকালে প্রচণ্ড



জ্বর হলে শরীরে একটা প্রতিক্রিয়াও হয়৷ প্রথমত, এই ধরনের অসুখ হলে শিশুর নিজের শরীর



সম্পর্কে একটা অভিজ্ঞতা হয় ৷ দ্বিতীয়ত, এর ফলে ইমিউন সিস্টেমও শক্তিশালী হয়৷ সাত বছর



পর্যন্ত বাচ্চারা জ্বরকে সহজেই সামলাতে পারে৷ ‘‘বয়স্করা যেসব রোগে হিমশিম খেয়ে যান,



সঠিক চিকিত্সা হলে সে সব অসুখ বিসুখ সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারে বাচ্চারা৷ এর মধ্যে হামও



রয়েছে'', বলেন ফ্রিডল৷



তবে রবার্ট কখ ইন্সটিটিউটের আনেটে মানকের্টৎস মনে করেন, শরীরের প্রতিরোধ শক্তি



বাড়াতে হলে হামের প্রয়োজন নেই৷ আসল কথা হলো টিকা হাজার হাজার মানুষের জীবন



বাঁচাতে পারে৷ টিকা নিলে শুধু নিজে নয় অন্যদেরও সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচানো যায়৷



টিকায় কিছুটা ঝুঁকিও রয়েছে



‘‘টিকায় কিছুটা ঝুঁকিও থাকে৷ যেমন মস্তিষ্কের সংক্রমণ হতে পারে এতে'', বলেন আনেটে



মানকের্ট স৷ অবশ্য এমনটি হতে পারে ১০ লাখে একটি৷ তার মানে হাম হলে যে ঝুঁকি হয়, তার



চেয়ে হাজার গুণ কম৷ হাম অত্যন্ত সংক্রামক এক ব্যাধি৷ হাঁচি, কাশি বা কথা বলার সময় এই



রোগ সংক্রমিত হয়৷ এই ভাইরাস অনেক ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকে৷ বিশেষ করে এক বছরের



কম বয়সি শিশুদের বেলায় এই রোগ অত্যন্ত মারাত্মক৷ ‘‘এই বয়সি শিশুদের হাম হলে প্রতি পাঁচ



হাজারে একজন মস্তিষ্কের এক ধরনের কঠিন অসুখে আক্রান্ত হয়৷ যার ফলে মৃত্যু অবধারিত'',



বলেন আনেটে মানকের্ট স৷



সূত্র – নতুন বার্তা

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: হঠাৎ মাথা ঝিমঝিম
Previous Health Tips: Amazing Benefits Of Papaya For Hair

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')