home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

মিশে যাক ফাটল
১৪ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  winter skin care  crack leg  
  Viewed#:   763

crack-legশীতে ঠোঁট, ত্বক ও পায়ের শুষ্ক হয়ে যায়। এরজন্য সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে পায়ে। পা ফাটার বিড়ম্বনা হতে রক্ষা পেতে জেনে নিন কয়েকটি চটজলদি টিপস। ঘরোয়া উপাদান দিয়ে সহজেই পরিচর্যা করা যায় এরকম কয়েকটি পদ্ধতি বা তলিয়েছেন আকাঙ্ক্ষা’সগ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার জুলিয়া আজাদ।

সুন্দর এক জোড়া পা-এর অধিকারী হওয়ার জন্য দরকার পা’য়ের নিয়মিত চর্চা। আর এ চর্চার জন্য ঘরোয়া উপাদানের তৈরি ফুট মাস্ক পায়ে লাগাতে পারেন।

লেবু, গ্লিসারিন ও গোলাপ জল মাস্ক : প্রথমে একটি গামলায় গরম পানি নিয়ে তাতে কাঁচা লবণ, লেবুর রস, গ্লিসারিন এবং কয়েকটি গোলাপ পাপড়ি যোগ করুন। এই পানিতে প্রায় ১৫-২০ মিনিটের জন্য পা ডুবিয়ে রাখতে হবে। এরপর একটি ঝামা পাথর বা পায়ের স্ক্রাবার ব্যবহার করে, পায়ের নিচের দিকে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। এবার গামলা থেকে পা তুলে পানি মুছে নিয়ে ১ টেবিল-চামচ গ্লিসারিন,  ১ কাপ গোলাপজল এবং ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে ফেটে যাওয়া পায়ে লাগিয়ে নিন। এভাবে দিনে দু’বার করা ভালো। এরপর মোজা পরে নিন। দেখবেন রাতারাতি পা ফাটা চলে যাবে। এটা পা ফাটা রোধে অত্যন্ত কার্যকরী একটা মিশ্রণ।

ভেজিটেবল তেল : পা ফাটার প্রধান কারণ হল শুকনো চামড়া। শুষ্ক ত্বকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাড়িতে থাকা ভেজিটেবল তেল যেমন- সয়াবিন, সূর্যমুখী, বাদাম ইত্যাদি প্রতিশোধক হিসেবে কাজ করে। পা পরিষ্কার করে ভালো ভাবে শুকিয়ে ফাটা অংশে ভেজিটেবল তেল মালিশ করে মোটা একজোড়া মোজা পরে নিন। প্রতিদিন সকালে পা ধোয়ার পর ভেজিটেবল তেল ব্যবহার করে দেখুন ভালো উপকার পাবেন।

কলা এবং আভাকাডোর মাস্ক : একটি পাকা কলা ভালো করে চোটকে নিন। গোড়ালি ও পায়ের ফাটা অংশের উপর তা লাগিয়ে প্রায় ১০ মিনিট রাখুন। এরপর পা ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া ও পাকা কলা ও আভাকাডো বা সবুজ নারিকেলের সাদা নরম অংশ ব্যবহার করে বাড়িতে পা’য়ের মাস্ক তৈরি করতে পারেন। মাস্ক তৈরি করতে একটি পাকা কলা ও আধাআভাকাডো নিন। এগুলো একসঙ্গে একটি পাত্রে মিশিয়ে পায়ে লাগান। এই পেস্ট পায়ের ত্বক কোমল ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করবে।

পা ফাটা রোধে লেবু :  ১৫-২০ মিনিটের জন্য গরম পানিতে পা ভিজিয়ে পরিষ্কার করে ১ টেবিল-চামচ ভ্যাজলিন ও ১ টি আস্ত লেবুর রস নিন। পায়ের ফাটা অংশ সহ অন্যান্য অংশের উপর এই মিশ্রণ ভালো করে মালিশ করে একটি পশমি মোজা পরে নিন। ঘুমোতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণ ব্যবহার করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে পা পরিষ্কার করে নিন, উপকার পাবেন।

মধু :
এটি পায়ের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। একটি বালতির অর্ধেক পরিমাণ গরম পানিতে ১ কাপ মধু মেশান। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের জন্য পা এই পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। তারপর পা শুকিয়ে মোজা পরে নিন। নরম ও নমনীয় পায়ের জন্য এটা খুব ভালো কাজ করবে।

চালের গুঁড়া : পায়ের স্ক্রাবিংয়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী উপাদান। স্ক্রাবিং পেস্ট তৈরি করতে একটি বাটিতে ৩-৬ টেবিল-চাম চচালের গুঁড়া নিন। এর সঙ্গে আপেল কুচি ও কয়েক চামচ মধু মেশান। এই পেস্ট দিয়ে পা ভালো করে স্ক্রাবিং করে নিন। এরপর ১০ মিনিটের জন্য গরম পানিতে পা ভিজিয়ে রাখুন। খেয়াল করে দেখবেন পা থেকে মৃত ত্বক সুন্দর ভাবে উঠে যাচ্ছে।

অলিভতেল : ত্বক মসৃণ নরম সুস্থ রাখতে সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান হল অলিভ অয়েল। একটি বোতলে জলপাইয়ের তেল, লেবু বা ল্যাভেন্ডার তেল কয়েক ফোটা নিয়ে ভালো মতো মেশান। এবার একটি তুলোর বল করে এর সাহায্যে অলিভ তেলের মিশ্রণটি আলতো করে ১০-১৫ মিনিটের জন্য বৃত্তাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পায়ে মালিশ করুন। এরপর পায়ে মোজা পরে নিন। ১ ঘন্টা পর তা খুলে ফেলুন।

পা ফাটা রোধে এই পদ্ধতি গুলো নিয়ম করে পালন করলে ভালো ফল পাবেন। তবে শীতের সময় প্রচুর পরিমাণে পানি, ফল ও টটকা সবজি খেতে ভুলবেন না যেন।

সূত্র - bdnews24.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আমাদের দৈনিক কতটুকু চিনি খাওয়া উচিত?
Previous Health Tips: পায়ে পানি আসার কারণ

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')