home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

কিভাবে ওজন বাড়াবেন
০৮ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  increased weight  weight gain  
  Viewed#:   480

increase-the-weightশারীরিকভাবে ক্ষীণকায় ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রায়ই শোনা যায় কীভাবে যে মোটা হওয়া যায়, এত খাই কিন্তু মোটা হতে পারি না। কত জায়গায়ই না গেলাম, স্বাস্থ্য ভালো করবে—কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ক্ষীণকায় ব্যক্তির ওজন স্বাভাবিক ওজন অপেক্ষা অনেক কম থাকে। তারা সব সময়ই দুর্বল বোধ করেন এবং সহজ জীবনযাত্রা ও আনন্দ থেকে অনেক ভাবেই বঞ্চিত হন।

চিকিত্সকের সাহায্যে শরীর পরীক্ষা করে যদি কোনো রোগ পাওয়া যায়, তার চিকিত্সা করাতে হবে। পেটের অসুখ, কৃমি, আমাশয় অথবা কোনো সংক্রামক রোগ থাকলে পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করলেও ওজন কমে যেতে থাকে। অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলেও ক্রমাগত ওজন কমে যেতে থাকে। এমন হলে বিশ্রাম, নিদ্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসতে হবে। না হলে শুধু খাদ্যের পরিমাণ বাড়ালেই ওজন বাড়বে না। দেহ কৃশ হলে বুঝতে হবে যে, তার দৈনন্দিন খাদ্য দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। ফলে দেহের মেদ খরচ হয়ে শক্তির চাহিদা পূরণের চেষ্টা চলে। এ অবস্থায় প্রতিদিন অল্প অল্প করে খাদ্যের পরিবর্তন সাধন করতে হবে। 

দেহ গঠনকারী খাদ্য এমন হতে হবে যাতে প্রচুর ক্যালরি থাকে। প্রথম দিকে হঠাত্ করে এ রকম উচ্চ ক্যালরি মূল্যের খাদ্য দিলে পরিপাক ক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। সেজন্য প্রতিদিন অল্প অল্প করে বাড়তি খাদ্য দিয়ে পরিপাক যন্ত্রকে অভ্যস্ত করতে হয় এবং এর পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াতে হয়। এভাবে কয়েকদিনের মধ্যেই পরিকল্পনা অনুযায়ী উচ্চ ক্যালরির খাদ্যে অভ্যস্তকরণ সম্ভব হয়। 

মাখন, ঘি, তেল, সর, তিল, আলু, ভাত, মিষ্টি, ডাল, বাদাম ইত্যাদি যেসব খাদ্য মোটা ব্যক্তিদের খাওয়া উচিত নয়, সেসব খাদ্যই কৃশ ব্যক্তিদের বেশি পরিমাণে খাওয়া দরকার। কৃশ ব্যক্তিদের যদি সাধ্যে কুলায় তা হলে ৯০-১০০ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন দেওয়া ভালো। ডিম, মাংস, দুধ ও মাছে প্রচুর পরিমাণে উত্তম মানের প্রোটিন পাওয়া যায়। উচ্চ ক্যালরি মূল্যের খাদ্যে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ লবণের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

খাদ্য পরিকল্পনা
উচ্চ ক্যালরি মূল্যের খাদ্য পরিকল্পনার সময় খাদ্য যেন সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় হয় সে বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে। ক্যালরি বেশি থাকলেও খাদ্যের পরিমাণ এমন হতে হবে যেন রোগী বুঝতে না পারেন যে, তিনি অনেক বেশি খাচ্ছেন। মাখন, সর, মিষ্টি, কেক ইত্যাদি যেসব খাদ্যের আয়তন ক্যালরি অনুপাতে কম, প্রতিবেলায় মেন্যু পরিকল্পনার সময় সেসব খাদ্য কিছু কিছু নির্বাচন করতে হবে।

ক্ষীণ ব্যক্তিদের হজমশক্তি সাধারণত ভালো থাকে না একথা মনে রেখে সহজপাচ্য খাদ্যবস্তু নির্বাচন করতে হয়। শর্করা জাতীয় খাদ্য যেমন—রুটি, ভাত, আলু, চিনি ইত্যাদি চর্বি জাতীয় খাদ্য অপেক্ষা সহজলভ্য। প্রথম দিকে সহজপাচ্য খাদ্যের পরিমাণ বাড়িয়ে ধীরে ধীরে অন্যান্য ক্যালরিবহুল খাদ্য মেন্যুতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মোটকথা এটা মনে রাখতে হবে যে, দেহের ক্যালরি খরচের জন্য যে চাহিদা দরকার তা মিটিয়ে শরীরে মেদ জমতে পারে এ পরিমাণে ক্যালরিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা দরকার।

সূত্র - রূপ-কেয়ার ডেস্ক

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: অতিরিক্ত ভুঁড়ি ঘাড় ও কোমর ব্যথার কারণ
Previous Health Tips: পেটে গ্যাস নাকি এনজিনা ব্যথা

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')