home top banner

Health Tip

মাংস খান অল্প
09 December,13
Tagged In:  Health Care  eat less meat  
  Viewed#:   259

eat-less-meatগরুর মাংসে থাকে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন ও ফ্যাট বা চর্বি। ফাইবার বা আঁশ থাকে পরিমাণে খুবই কম। গরুর চেয়ে মহিষের মাংসে ফ্যাট বা চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে। অতিরিক্ত মাংস খেলে হজম করতে সমস্যা হতে পারে। তাই বমি বা পেটে গণ্ডগোল দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

প্রতিবছর কোরবানীর ঈদ পরবর্তী সময়ে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীদের শারীরিক অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন হয়। ঈদের কয়েকটা দিন কোরমা, পোলাও, তৈলাক্ত খাবারের পর রাতে বুকে ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। তাই খাবার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে তা মাত্রাতিরিক্ত না হয়।

গরু, মহিষ, ছাগল ও খাসির মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার প্রোটিন ও ফ্যাট। যা ডায়াবেটিস, হৃদরোগী ও যাদের রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা বেশি তাদের রক্তচাপক আরও বাড়িয়ে দেয়। এতে রক্তনালী চিকন হয়ে রক্তচাপ বা প্রেসার বেড়ে যেতে পারে। ফলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

মহিষের মাংসের চেয়ে ছাগল ও খাসির মাংসে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। তাছাড়া মাংসের চেয়ে মগজ ও পায়াতে ফ্যাট থাকে সবচেয়ে বেশি। শিশুও গর্ভবতীদের জন্য উপযোগী হলেও যাদের বয়স ৪৫ থেকে ৫৫ তাদের এগুলো খাওয়ার সময় সচেতন হতে হবে। 

গরুর মাংসে আছে দেহের প্রয়োজনীয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উচ্চ মাত্রার প্রোটিন, উচ্চমাত্রার ফ্যাট, ক্যালোরি, মিনারেল, আয়রণ ও জিংক থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে। যা শিশুদের বেড়ে উঠতে সহায়তা করে। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের জন্য গরুর মাংস খুবই উপকারী। এর থেকে অনাগত শিশু ও মা প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। এছাড়া গরু বা খাসির মাংসে আছে ‘ভিটামিন এ’, যা শিশুর চোখের রেটিনা সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ‘ভিটামিন ডি’ হাড় মজবুত করে ও ‘ভিটামিন বি কমপ্লেক্স’ শিশুদের মস্তিষ্ক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মাংস খাওয়ার নিয়ম
ঈদের সময় তৈলাক্ত খাবারের পরিমাণ বেশি খাওয়া হয়। তাই খাবারে পর্যাপ্ত সালাদ ও সবজি রাখুন। এতে হজম প্রক্রিয়া সহজ হবে।

যাদের রক্তে কোলেস্টরেল বেশি বা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ রয়েছে, তাদের জন্য মাংস রান্নার আগে চর্বি আলাদা করে নিন। রান্নায় সবজি মিশিয়ে তৈরি করুন নতুন খাবার। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঝুঁকি কমে আসবে।

মোটা তাজা গরু রান্নার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ করে নিন। গরু মোটা তাজা করতে ব্যবহার করা বিভিন্ন ধরনের ইনজেকশনও ওষুধ। ভালো ভাবে সিদ্ধ না করলে পাকস্থলিতে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

খাওয়ার পরিমাণ
পরিমিত সবকিছুই ভালো। খাদ্যাভাসে এটা মেনে চলা জরুরি। ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে কোলেস্টরেল ও কিডনি রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ মতো মাংস খেতে পারেন। তেল চর্বি যুক্ত মাংস না খাওয়াই ভালো। এতে বুকে ব্যথা ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

খাওয়ার পর
গরুর মাংস খাওয়ার পর অবশ্যই ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজবেন। নইলে দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা মাংস  পঁচে দুর্গন্ধ বের হতে পারে। এছাড়াও দাঁত ও মাড়ির সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মাংস খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করলে এ সমস্যা কমে আসবে।

পরিপাক
হজম শক্তি বাড়াতে খাবারে শাকসবজি ও আঁশজাতীয় খাবার প্রয়োজন। গরু, মহিষ, ছাগল, খাঁসির মাংসে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ অনেক কম। এতে পরিপাকে সমস্যা হতে পারে। যাদের খাবার হজমে সমস্যা তারা খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সালাদ ও সবজি রাখতে পারেন।

মনে রাখবেন কোমল পানিয় খাবার হজমে কোনো ভূমিকা রাখে না। এ জন্য খাবার তালিকায় আঁশ যুক্ত খাবার রাখুন।

এ সময়ে খাবার জনিত কারণে পেটে গুড়গুড় করলে কী করবেন?- এ সম্পর্কে ডা.কামরুল হাসান জানান, প্রথমেই খাবার তালিকায় আঁশ জাতীয় খাবার যুক্ত করুন। ডাবের পানি ও স্যালাইন পর্যাপ্ত পানি পান করুন। বেশি সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সূত্র - বিডিনিউস২৪.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রাগ থেকে হৃদরোগ
Previous Health Tips: মুখে গলায় ও মাথায় ক্যান্সারের লক্ষণ

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')