home top banner

Health Tip

নিরামিষ খাদ্যে মৃত্যু ঝুঁকি কমে
05 June,13
View in English

নতুন গবেষনায় দেখা গেছে যারা মাংস-কাবাব কমিয়ে শাক-সবজী আর ফলমূলের দিকে ঝুঁকেছেন, একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের মৃত্যু ঝুঁকি কমে।

গবেষনায় প্রাপ্ত ফলাফলে পাওয়া যায় যারা শাক-সবজী আর ফলে অভ্যস্ত, একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের হৃদরোগ কিংবা অন্য কোন জটিল রোগে মৃত্যুর হার কমে।

লোমা লিন্ডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদলের মূখ্য প্রাবন্ধিক ডঃ মাইকেল অরলিশ ও তার সহকর্মীরা মিলে এই গবেষনাটি পরিচালনা করেন। যাতে আমেরিকা ও কানাডার সেভেন্থ-ডে এভেনটিস্ট চার্চের প্রায় ৭০,০০০ হাজারেরও অধিক লোকের উপর ২০০২ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত গবেষনাটি পরিচালিত হয়।

শুরুতে অংশগ্রহনকারীদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় এবং দুগ্ধ, ডিম, মাছ ও মাংস খাওয়ার অভ্যাসের উপর ভিত্তি করে তাদেরকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়।

এতে দেখা যায় প্রায় ৮% লোক যারা সম্পূর্ন নিরামিষভোজী আর ২৯% লোক যারা শাক-সবজী খাওয়ার পাশাপাশি দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য খান কিন্তু মাছ বা মাংস খান না। অন্যদলে আছেন প্রায় ১৫% লোক যারা নিয়মিত মাছ-মাংস খান।

এরপর ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতীয় ডাটাবেইজ থেকে ডাটা নিয়ে দেখা যায় যারা নিয়মিত মাছ-মাংস খেয়েছেন, তাদের মধ্যে থেকে বছরান্তে প্রতি ১০০০ জনে গড়ে ৭ জন বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগে মারা গেছেন। অন্যদিকে যারা নিয়মিত শাক-সবজী আর ফলমূলে অভ্যস্ত ছিলেন তাদের মধ্যে মারা গেছে প্রতি ১০০০ জনে ৫-৬ জন। তবে এই পরীক্ষার ফলাফলের একটি বিশেষ দিক হল এতে মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের মৃত্যু কম হয়েছে বলে দেখা গেছে।

এলিস লিস্টেস্টেইন বলেন যারা শাকাহারী তারা সু-স্বাস্থ্যের অধিকারী হন।

তবে কি আমাদের নিরামিষভোজী হওয়া উচিত?

ডঃ রবার্ট ব্যারন যিনি JAMA Internal Medicine  এর সম্পাদকীয় লেখেন এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক, বলেন যে এর মানে এই নয় যে আমাদের সবাইকেই নিরামিষভোজী হতে হবে। তবে কেউ যদি তুলনামূলক নিরোগ থাকতে চান অথবা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হতে চান, তাদের প্রতি পরামর্শ হল হ্যাঁ তা করতে পারেন অর্থাৎ কি না নিরামিষের দিকে ঝুঁকতে পারেন।

আবার এর পরিবর্তে আপনার খাদ্যে সুগারের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারেন, পরিশোধিত শস্যদানা, স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। আরো যা পারেন তা হল, খাদ্যে দুগ্ধজাত খাদ্য, ডিম, মাছ, মাংস ইত্যাদি কমিয়ে শাক-সবজী আর ফলের পরিমান বাড়াতে।

পূর্বের এক গবেষনায় দেখা গেছে যারা উদ্ভিদজাত খাদ্যে অভ্যস্ত কিন্তু মাঝেমধ্যে চর্বিবিহীন মাংস খান তাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম থাকে।

সূত্রঃ এন্ড্রিউ এম সীম্যান, রয়টার্স হেলথ।

সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১।

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Foods that Cleanse the Liver
Previous Health Tips: ••আসুন আমরা সবাই এনার্জি ড্রিংক/সফট ড্রিংক বর্জন করি•

More in Health Tip

সহজে মিশতে সংকোচ?

যেখানে লোকজনের সমাবেশ সেখানেই অস্বস্তি, ভয়৷ অপরিচিত কারও সঙ্গে কথা বলতে সহসা বাক্য বের হয় না৷ অনেকের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খেতেও অস্বস্তি৷ মনে হয়, সবাই বুঝি লক্ষ করছে, খাবার ধরন, চামচ ধরার ভঙ্গি নিয়ে মনে মনে হাসছে৷ চাকরির সাক্ষাৎকারে, কোনো অনুষ্ঠানে কাঁপতে শুরু করে, গলা শুকিয়ে কাঠ, মুখ জিব... See details

যে খাদ্যাভ্যাস হরমোনের দুশমন

খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে জীবনের অনেক কিছু। তেমনি খাবার তারতম্য ঘটায় যৌনচাহিদারও। গবেষকরা জানিয়েছেন, পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন নামক হরমোন কমে গেলে যৌন চাহিদা হ্রাস পায়। যে খাবারের কারণে হরমোনের মাত্রা কমে সেগুলো থেকে কমে যেতে পারে পুরুষের যৌনইচ্ছাও। তাই যে ধরনের খাবার যৌনচাহিদাকে কমিয়ে... See details

আকস্মিক কিডনি বিকল

অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু রোগ জীবনকে তছনছ করে দেয়। সর্বনাশা আকস্মিক কিডনি বিকলও  (AKI)  তেমন একটি রোগ, অর্থাৎ হঠাৎ করে এসে মানুষের সর্বনাশ ডেকে আনে। যদি আকস্মিক কিডনি বিকলের কারণ জেনে তাকে বিতাড়িত করা যায় তাহলে মানুষ মৃত্যুর শত ভয়াবহতল থেকেই মুক্তি পায় না বরং স্বাভাবিক সুস্থ জীবনও ফিরে... See details

কোরবানির স্বাস্থ্য চিন্তা

কোরবানি মানেই রেড মিট বা লাল গোশতের সম্ভার। গরু, খাসি, ভেড়া, মহিষ, উট কিংবা দুম্বার গোশতকে বলা হয় লাল গোশত। এসব লাল গোশতে থাকে প্রচুর খারাপ জাতের চর্বি। এই খারাপ জাতের চর্বিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয়ে থাকে লো ডেনসিটি লাইপো প্রোটিন, সংক্ষেপে এলডিএল। এলডিএল হচ্ছে হৃৎপিণ্ডের অন্যতম শত্রু।... See details

হস্তমৈথুন ছাড়ার উপায় কী?

নিয়মিত হস্তমৈথুন শরীরের জন্য ভালো। তবে এটা খুব বেশি করলে এবং সেই অনুপাতে শরীরের যত্ন না নিলে শারীরিক ও মানসিক ভাবে ক্লান্তি আসতে পারে। এটা যাতে নেশায় পরিনত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যাদের কাছে এটা নেশার মত মনে হয়, এবং মনে প্রাণে কমিয়ে দিতে চাইছেন, তাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করণীয় হতে... See details

পা ঘামা থেকে মুক্তি পেতে যা করবেন

পা ঘামা স্বাভাবিক ব্যাপার। কন্তু সেই ঘামার মাত্রা যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে আপনার কপালে দুর্ভোগই আছে বলতে হবে।অতিরিক্ত ঘাম থেকে যে দুর্গন্ধ তৈরি হয় তাতে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে যেতে পারেন আপনি। তবে আপনি একটু সচেতন হলেই পা ঘামা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।   জেনে নিন হাত-পা ঘামার কারণঃ সাধারণত... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')