ত্বকের টোন বা বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে টিপস
ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের যেমন ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োজন, তেমনি মোকাবেলা করতে ভিন্ন ভিন্ন সমস্যার। এখানে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হল কোন একটি পদ্ধতি শুরু করার আগে অবশ্যই আপনার ত্বকের ধরন সনাক্ত করে নিন আর সে অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থাটি গ্রহন করুন।
কম্বিনেশন স্কীনের জন্য সুন্দর্য্য টিপস:
এ পর্যন্ত আমরা তৈলাক্ত ও শুষ্ক ত্বকের বৈশিষ্ট্য এবং কিছু সাধারন টিপস সম্পর্কে জানলাম। কম্বিনেশন স্কীনে মুলতঃ তৈলাক্ত ও শুষ্ক উভয় ত্বকের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়। তৈলাক্ত ত্বকে্র মত যেমন তুলনামূলক বড় লোমকুপ, পিচ্ছিল অংশে অবিরত ঔজ্জ্বল্য আর ব্রন বা দাগ দেখা দেয় বিশেষ করে ‘T-zone’ এলাকা যেমন কপাল, নাক, চিবুক এলাকায়। অন্যদিকে শুষ্ক ত্বকের মত বৈশিষ্ট্য যেমন চুলকানি, বিভিন্ন পরতে বিভক্ত দাগ, গালে লাল ছোপ দাগ ইত্যাদি।

সাধারন সমস্যাসমূহঃ
এক্ষেত্রে আপনাকে দু’ধরনের ত্বকের সমস্যা মোকাবেলা করতে হতে পারে। অবশ্য তা নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন আবহাওয়ার উপর এবং দু’ধরনের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে কোনটি প্রকট, তার উপর।
সাধারন টিপসঃ
কিছু মৌলিক বিষয় অবলম্বন করলে এধরনের ত্বক হয়ে উঠতে পারে সুন্দর ও আরামদায়ক।
যে কোন ধরনের ইনফেকশন এড়াতে মুখমন্ডল সবসময় পরিস্কার রাখুন বিশেষ করে ত্বকের যেসব স্থানে তৈল নিঃসরনের পরিমান অধিক।
বেছে নিন আপনার ত্বকের জন্য সঠিক ময়েশ্চারাইজারটি। অবশ্য সবার জন্য একই ময়েশ্চারাইজার কাজ নাও করতে পারে। কারন একেকজনের ত্বকের ধরন আলাদা আলাদা। তেল নিঃসরনের পরিমানও আলাদা এবং শুষ্কতার পরিমানও আলাদা। একবার যদি আপনার ত্বক কোন ময়েশ্চারাইজার মানিয়ে নেয়, এরপর সেটা পরিবর্তন না করাই ভাল।
আবহাওয়ার উপর ত্বকের কি ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তার উপর ভিত্তি করে পরিমান মত ময়েশ্চারাইজার মাখুন। অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজার মাখলে যেমন তৈলাক্ত এলাকায় আরো ক্ষতি হতে পারে তেমনি ত্বকের শুষ্ক এলাকায় কম মাখলে তা কাজে নাও লাগতে পারে।

