কম খরচে মানসম্মত সেবা প্রদানের কারণে ইউরোপসহ উন্নত বিশ্বের অনেক রোগী সার্কভুক্ত দেশে চিকিৎসা করাতে আসছেন। এটা ধরে রাখতে হলে দক্ষিণ এশিয়ার চিকিৎসকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়লে চিকিৎসার মানও বাড়বে।
সার্ক একাডেমি অব সাইটোপ্যাথলজি এবং হিস্টোপ্যাথলজি সম্মেলনে বক্তারা এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তনে দুদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন শেষ হয় গত শুক্রবার। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্যাথলজি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর দেড় শ প্যাথলজিস্ট অংশ নেন।
সম্মেলন শেষে শুক্রবার রাতে সার্ক একাডেমি অব সাইটোপ্যাথলজি ও হিস্টোপ্যাথলজির নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ২০১৩-২০১৫ সালের জন্য নির্বাহী কমিটির প্যাটার্ন ইন চিফ হিসেবে ভারতের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অসিতাভ মণ্ডল, সভাপতি হিসেবে পাকিস্তানের অধ্যাাপক শহীদ পারভেজ ও সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে বাংলাদেশের চিকিৎসক জিল্লুর রহমান ও জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে শ্রীলঙ্কার এ এইচ প্রিয়ানি নির্বাচিত হন।
আগামী চার বছরের পরবর্তী সম্মেলনের স্থানও নির্ধারণ করা হয় সভায়। ২০১৪ সালে বাংলাদেশের কক্সবাজারে, ২০১৫ সালে ঢাকায়, ২০১৬ সালে নেপালে এবং ২০১৭ সালে ভুটানে পরবর্তী কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে।
সম্মেলন উদ্বোধন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রাণ গোপাল দত্ত এবং সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক শাহ মনির হোসেন। সম্মেলনের প্রথম দিন ১৩ জন গবেষক তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। সমাপনী দিনে মোট বিশটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়।
দুদিনের সম্মেলনে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সেলিম মো. জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কামরুল হাসান খান, বাংলাদেশ একাডেমিক অব প্যাথলজির এ জে নাহার রহমান, পাকিস্তানের আগা খান বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক শহীদ পারভেজ, ভারতের ক্যানসার বিশেষজ্ঞ অসিতাভ মণ্ডল, চমেক-এর প্যাথলজি বিভাগের প্রধান জিললুর রহমান, ভারতের অধ্যাপক ওয়াইজম্যান পিন্টো, নেপালের চিকিৎসক সন্তোষ কাফলে, ভুটানের বল মুকুদাও দুঙ্গেল, বাংলাদেশের অধ্যাপক আবদুল মান্নান শিকদার ও মোহাম্মদ কামাল।
সূত্র - প্রথম আলো

