জাপানের রাজধানী টোকিও ও আশেপাশের অঞ্চলে আগামী সপ্তাহ থেকে পানির সরবরাহ ১০ শতাংশ কমে যাচ্ছে। কানতো আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যুরো পানি সল্পতার কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সাইতামাতে ব্যুরোর এক জরুরি সভায় বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্যরা এ ব্যাপারে একমত হন।
টোকিও, গুনমা, তোচিগি, ইবারাকি, সাইতামা, চিবা এবং কানাগাওয়া প্রিফেকচার নিয়ে জাপানের কানতো অঞ্চল গঠিত।
এ অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া তোনে নদী এবং এর শাখা নদী গুলোর উজানে নির্মিত ৮টি বাঁধের সবগুলো থেকেই পানি সরবরাহ কমিয়ে দেয়া হচ্ছে।
এ বাঁধগুলো থেকে টোকিও ও তার আশেপাশের ৫টি প্রিফেকচারে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হয়।
বাঁধ গুলোর উজানে এ বছর জুন মাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কম ছিল। পাশাপাশি এ বছর বর্ষা মৌসুমও ছিলো অস্বাভাবিক রকমের শুষ্ক। ফলে নদ-নদী গুলোতে পানির স্তর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে নেমে গেছে।
ব্যুরোর দেয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, ৮টি বাঁধে পানির পরিমাণ ছিলো ১৯ কোটি ৮০ লক্ষ ঘন মিটার। বাঁধগুলোর ধারণ ক্ষমতার তুলনায় পানির পরিমাণ মাত্র ৫৮ শতাংশ।
রেকর্ড অনুযায়ী এখানে বর্তমানে পানির পরিমাণ দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। ১৯৯২ সাল থেকে রেকর্ড রাখা হচ্ছে। গুনমা প্রিফেকচারের ইয়াগিসাওয়া বাঁধে পানির পরিমাণ বর্তমানে ৫ কোটি ঘন মিটার। বাঁধের ধারণ ক্ষমতার মাত্র ৪৪ শতাংশ পানি সেখানে রয়েছে।
বাঁধ গুলোতে পানির স্বল্পতার কারণে টোকিওর পাশাপাশি ইবারাকি, তোচিগি, গুনমা, সাইতামা এবং চিবা প্রিফেকচারেও পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হতে যাচ্ছে।
কানতো আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যুরো এসব এলাকার বাসিন্দাদেরকে যতটা সম্ভব পানি ধরে রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
এদিকে জাপানের আবহাওয়া বিভাগ বলেছে, এ মাসে জাপানের কানতো অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের তেমন সম্ভাবনা নেই।
সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

