সাধারণত মেয়েরা শিশু বয়সে কানের লতিতে ছিদ্র করে থাকে। যথাযথ পরিচ্ছন্নতা মেনে চলে এই ছিদ্র করা হলে এতে কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
তবে বড় হলে অনেকে আবার শখ করে কানের ওপর দিকে বিভিন্ন স্থানে আরও দু-একটি ছিদ্র করেন। কানের লতি ছাড়া বাকি জায়গাটুকু হলো তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ। তরুণাস্থিতে কোনো রক্ত সংবহন নেই। তাই এখানে সংক্রমণ হলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, কেননা রক্ত সরবরাহ না থাকায় এখানে দ্রুত কোষ ক্ষয় হয় এবং অ্যান্টিবায়োটিকও এখানে প্রবেশ করতে পারে না।
যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা একটি গবেষণায় ১১৮ জন শিশু, কিশোর ও কিশোরীর ওপর জরিপ করে দেখেন যে কানের উপরিভাগে ছিদ্র করেছে এমন শিশুদের সাতজনের তরুণাস্থিতে মারাত্মক সিউডোমোনাস এরুজিনোসা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ আছে এবং আরও ১৮ জন সিউডোমোনাস সংক্রমণের ঝুঁকিতে আছে। খারাপ বিষয় হলো যে এই সংক্রমণ কান ছিদ্র করার কয়েক মাস পরও দেখা দিতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, কানের লতিতে ছিদ্র করার কোনো ঝুঁকি না থাকলেও উপরিভাগে ছিদ্র করায় ঝুঁকি অবশ্যই আছে এবং তা অবশ্যই যথাযথ পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত পদ্ধতিতে করতে হবে। এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে। ওয়েবমেড।
সূত্র - প্রথম আলো

