হাসি বয়স্ক মানুষের ক্ষণস্থায়ী স্মৃতির উন্নতি ঘটায় এবং কৌতুক মানসিক চাপ ও রক্তচাপ কমিয়ে দেওয়াসহ মনটাকেও উৎফুল্ল করে। আমেরিকার লোমা লিনডা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক এ বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছেন বলে এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গবেষণায় ২০ জন সুস্থ ও স্বাভাবিক বয়স্ক ব্যক্তিকে বিশ মিনিটের একটি হাসির ভিডিওচিত্র দেখানো হয়। অপর এক দলকে বসিয়ে রাখা হয় যাদের কোনো ভিডিও দেখানো হয়নি।
এরপর তারা সবাই একটি মেমোরি টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। যারা হাসির ভিডিওচিত্র দেখে মজা পেয়েছিলেন, শর্ট-টার্ম মেমোরি টেস্টে তারা অন্যদের অপেক্ষা অনেক ভালো ফলাফল দিয়েছে। তাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক ছিলো এবং মনে উদ্যোম ফিরে আসে।
গবেষণার প্রধান রিহ্যাবিলাইজেশন সায়েন্স বিভাগের ড. গারিন্ডার এস বেইনস জানান, স্মৃতি কমিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী হরমোন কর্টিসলের মাত্রা অনেক কম ছিলো যারা হাসিখুশী ছিলেন। অন্যদিকে, যারা স্রেফ বসেছিলেন তাদের কর্টিসলের মাত্রা বেশি ছিলো। কাজেই বন্ধুদের সঙ্গে মজার আড্ডা দেওয়া অথবা টিভিতে বিশ মিনিটের কোনো হাসির অনুষ্ঠান নিয়মিত দেখলে মানুষের স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও শরীর সুস্থ রাখে।
গবেষণা সহকারী ড. লি বার্ক বলেন, যারা নিয়মিত কোনো না কোনো কারণে হাসেন তারা অনেক ভালো জীবন-যাপন করেন। হাসি-তামাশায় দেহের বিপাক ক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় এবং গামা রশ্মি নামে মস্তিষ্কের তড়িৎ প্রবাহমাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
সূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ

