যৌথ পরিবারে বয়স্ক ব্যক্তিদের কাছে শিশুসন্তানদের দেখাশোনার ভার দিয়ে নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন মা-বাবারা। এতে শিশুদের পাশাপাশি বৃদ্ধ ব্যক্তিদেরও ভালো সময় কাটে। নাতি-নাতনিদের সঙ্গে সময় কাটানোর ফলে তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্যের ইতিবাচক পরিবর্তনও ঘটে।
অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক বলেন, জীবনের শেষ পর্যায়ে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে খেলা করার মধ্যে বয়স্কদের মানসিক সুস্থতার রহস্য লুকিয়ে থাকে। শিশুদের কোমল সান্নিধ্যে তাঁদের স্মৃতিভ্রংশ (আলঝেইমার) রোগের ঝুঁকি কমে।
উইমেনস হেলদি অ্যাজিং প্রজেক্ট কর্মসূচির আওতায় বিশেষজ্ঞরা ৫৭ থেকে ৬৮ বছর বয়সী ১৮৬ জন নারীর মানসিক তীক্ষতার পরীক্ষা নেন। এ ক্ষেত্রে মানসিক সুস্থতার বিষয়টি দাদি বা নানিদের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়। তবে বেশি বেশি সময় নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কাটানোর নেতিবাচক দিকও রয়েছে। এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণা প্রতিবেদন দ্য নর্থ আমেরিকান মেনোপজ সোসাইটির (এনএএমএস) সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়, শিশুদের যত্ন নেওয়ার কাজে বেশি সময় কাটালে তারা বয়স্ক ব্যক্তিদের কাছে আরও বেশি সময় চাইতে শুরু করে। এতে হিতে বিপরীতও হতে পারে। বয়স্ক মানুষের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের ওপর শিশুসঙ্গের প্রভাব নিয়ে এই গবেষণা আরও সম্প্রসারিত করতে হবে। টেলিগ্রাফ।
সূত্র - প্রথম আলো

