বাংলাদেশ আর্সেনিক মিটিগেশন ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্টের জরিপে সাড়ে ২৯ হাজার আর্সেনিক রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।
দেশের ৫৩টি জেলার ১৯০ উপজেলায় এসব রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।
এরমধ্যে কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭৯১ জন। এছাড়া নোয়াখালীর চাটখিল, সেনবাগ, নবাবগঞ্জ সদর, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, যশোরের চৌগাছা, নরসিংদী সদর ও সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এ রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি।
তবে এক পরিসংখ্যানে নোয়াখালির চাটখিলে ১ হাজার ৩৪, সেনবাগে ১ হাজার ২৩ ও কোম্পানীগঞ্জে ২৩১ জন রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ আবদুল লতিফের প্রশ্নের উত্তরে এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের অনুপস্থিতিতে প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা এ তথ্য জানান।
এর আগে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মঙ্গলবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের মূলতবি অধিবেশন শুরু হয়।
সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘স্থানীয় সরকার বিভাগের জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের আর্সেনিক মিটিগেশন ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্প জরিপ অনুযায়ী দেশের ৫৩ জেলার ১৯০ উপজেলায় ২৯ হাজার ৫০০ জন আর্সেনিক আক্রান্ত্র রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে।’
আর্সেনিক দূষণ রোধের বিষয়ে মন্ত্রী সংসদে জানান, আর্সেনিক মিটিগেশন অপসন হিসেবে গভীর নলকুপ, পিএসএফ পাতকুয়া, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাগার নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ পানি সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এরমধ্যে দেশের ৪০টি পৌরসভা এবং গ্রোথ সেন্টারে অবস্থিত পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্ট প্রকল্প দ্বিতীয় পর্যায়, আইলা দূর্গত এলাকায় পানি সরবরাহ ও স্যানিট্রেশন প্রকল্প, জাতীয় স্যানিট্রেশন প্রকল্পসহ (ফেজ-৩) বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে।
সূত্র - risingbd.com

