কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মঞ্চে প্রকাশ্যে ধূমপানের ঘটনাটি ‘অবচেতন মনে’ ঘটে গেছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। তিনি এ জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে প্রথম আলোর এ প্রতিবেদককে মুঠোফোনে মন্ত্রী বলেন, ‘আসলে ব্যাপারটি আমার অবচেতন মনে ঘটেছে। ওই অনুষ্ঠানে এটি জানানো উচিত ছিল। আমি একজন চেইন স্মোকার। এ কারণে শরীরে অনেক রোগও বাসা বেঁধেছে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের কারণে চিকিত্সক আমাকে ধূমপান করতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু এর পরও পারছি না এ বদ অভ্যাসটি ত্যাগ করতে। গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠানে আমি অবচেতন মনে বদ অভ্যাসের প্রয়োগ ঘটিয়েছি। পত্রপত্রিকায় বিষয়টি প্রকাশও পেয়েছে। এ জন্য সত্যিই আমি দুঃখিত।’
গতকাল সোমবার সিলেটের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী। তিনি বক্তব্য দেওয়ার আগে মঞ্চে বসেই ধূমপান করেন। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা পড়েন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বেলা তিনটার দিকে মন্ত্রী মঞ্চে ওঠেন। তাঁর পাশে বসা ছিলেন অনুষ্ঠানের সভাপতি বিজিবি সিলেট সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. জামাল মাহমুদ সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবদুজ জহির চৌধুরী, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আনাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তা ছিলেন বিজিবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফয়জুল হক।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, তখন বিশেষ অতিথির বক্তব্য পর্ব চলছিল। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার আগে মঞ্চে নিজের আসনে বসে মন্ত্রীর ধূমপানের এ দৃশ্য দেখে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা বিব্রত হন। তবে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলেননি।
সূত্র - প্রথম আলো

