প্রথমে ২০ লাখ টাকা করে দেওয়ার সুপারিশ ছিল কমিটির। কয়েকজন সদস্য, বিশেষ করে বিজিএমইএর প্রতিনিধি আপত্তি তুললে সেটি পুনরায় বিবেচনার সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলওর সঙ্গে আলাপ করে আমরা আবার ক্ষতিপূরণের অঙ্কটা সাড়ে ১৪ লাখ টাকা ঠিক করেছি।
সুপারিশে সই করার সময় আমি দেখলাম, বর্তমান শ্রম আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা বলেছেন বিজিএমইএ প্রতিনিধি। তাঁরা সব সময়ই বলছেন যে যেহেতু দেশের শ্রম আইনে ক্ষতিপূরণের কথা বলা আছে, তাই আইনের বাইরে যাওয়া যাবে না।
তবে আমার কাছে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সাড়ে ১৪ লাখ টাকা নির্ধারিত হওয়াকে যৌক্তিক বলে মনে হয়েছে। একজন শ্রমিক তাঁর বাকি জীবনে কত টাকা আয় করতে পারতেন, সেটাকে বর্তমান অঙ্কে ধরে হিসাব করা হয়েছে। একটা বেসিক হিসাব করে সবকিছু নির্ধারিত হয়েছে।
হাইকোর্টের নির্দেশে আমাদের এই কমিটি। কমিটির সুপারিশ হাইকোর্টের কাছে দেব আমরা। কে টাকা দেবে, এটা কোর্ট নির্ধারণ করবেন। আমাদের কাজ ছিল ক্ষতিপূরণের অঙ্ক নির্ধারণ করা। টাকা কে দেবে, এটা নির্ধারণ করা আমাদের আওতার বাইরে।
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী
শিক্ষাবিদ এবং রানা প্লাজার ভবনধসে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণের হার নির্ধারণ কমিটির সদস্য
সূত্র - প্রথম আলো

