যেসব পরিবারের সদস্যদের অকালমৃত্যুর ইতিহাস রয়েছে, সেসব পরিবারের জীবিত সদস্যদের আরও ভালো করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার উদ্যোগ নিতে পরামর্শ দিয়েছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশন এ বিষয়ে সে দেশের সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ৪০ বছর বা এর নিচে দুর্ঘটনা ব্যতীত অন্য কারণে স্বজনদের আকস্মিক মৃত্যুর ইতিহাস থেকে থাকলে, সেই পরিবারে অন্যদের হূদেরাগের ঝুঁকি অনেক বেশি বলে দাবি করছে তারা। তারা বলছে, প্রিয়জনের মৃত্যু হতে পারে আপনার নিজেকে নিয়ে ভাবার প্রথম ধাপ। রক্তে শর্করা বা চর্বির আধিক্য, নাড়িস্পন্দনে জটিলতা বা হূৎপিণ্ডের কোনো বংশগত বা জিনগত খুঁত ইত্যাদি লুকিয়ে থাকতে পারে এসব পরিবারের সদস্যদের মাঝে। হয়তো রক্তের কিছু সাধারণ পরীক্ষা বা একটি সাধারণ ইসিজি আপনার ভবিষ্যৎ জটিল হূদেরাগ, হার্ট অ্যাটাক বা অকালমৃত্যুর ঝুঁকি নির্ণয় করতে সক্ষম হবে ও তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নিতে উদ্বুদ্ধ করবে।
পশ্চিমা বিশ্বে এমনিতেই সাধারণ রোগ স্ক্রিনিং বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম চালু রয়েছে। তবে পারিবারিক ইতিহাস থাকলে হূদেরাগ নির্ণয়ের জন্য আরও নিয়মিত ও কম বয়সে স্ক্রিনিং ব্যবস্থা থাকা উচিত বলে মন্তব্য চিকিৎসকদের।
বিবিসি হেলথ।
সূত্র - প্রথম আলো

