প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ইউনানি-আয়ুর্বেদিক প্রত্যেক চিকিৎসককে দেশাত্মবোধ, শ্রম এবং নিজস্ব মেধা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের এ শাখাকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা প্রস্তাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। খবর বাসস ও ইউএনবির।
প্রধানমন্ত্রী গতকাল রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড আয়োজিত ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণকালে এ কথা বলেন।
ইউনানি-আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সভাপতি রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ এফ এম রুহুল হক, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি, ইউনানি-আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সদস্য মো. ইউসুফ হারুণ ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ ইউনানি ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি সাইয়িদ আহমেদ সিদ্দিকী বক্তৃতা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার জনগণের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার সঙ্গে সমন্বয় করে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে যেসব পরিকল্পনা নিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে চায়।
শেখ হাসিনা বলেন, রসায়ননির্ভর ওষুধ আবিষ্কারের আগে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ গাছগাছড়া ব্যবহার করে অসুখ-বিসুখ ও রোগ-ব্যাধি নিরাময় করত।
ফাস্ট-ট্র্যাক প্রজেক্ট: গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর সভাপতিত্বে ফাস্ট-ট্র্যাক প্রজেক্ট মনিটরিং কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে তিনটি প্রকল্প নির্বাচন করা হয়। প্রকল্পগুলো হলো পদ্মা বহুমুখী সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও কয়লাভিত্তিক বড় আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প (বিগ পাওয়ার প্ল্যান্ট)।
সূত্র ঃ প্রথম আলো

