home top banner

Health Tip

কোরবানির অনুষঙ্গের খোঁজে
13 October,13
Tagged In:  meat cutting accessories  
  Viewed#:   81

পবিত্র কোরবানির দিন ঘনিয়ে আসছে দ্রুতই। 'বিরাট গরু ছাগলের হাট' থেকে অনেকে পছন্দের পশুও কিনে ফেলেছেন। শহরের পিচঢালা রাজপথে ঘট ঘট শব্দে হেটে যাচ্ছে গরু-ছাগল।কিন্তু কোরবানির জন্য শুধু যে পশু কিনলেই চলবে, এমনটিও কিন্তু নয়!

পশু জবাই করা থেকে শুরু করে হাড়-মাংস কেটে আলাদা করা। এসব কিছুতে পশু কোরবানির গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ দা, বঁটি আর ছুরির দরকার রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এসব অনুষঙ্গ আগেই সঠিক স্থানে সংগ্রহ করে রাখা গেলে পশু কোরবানির ঝামেলা অনেকাংশেই কমে আসবে।

বাজার কথন: বাজার ঘুরে দেখা যায়, কামারপল্লীগুলো খুব ব্যস্ত সময় পার করছে। দগদগে আগুনে গরম লোহায় পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠেছে কামারশালাগুলো। সেইসাথে রয়েছে হাপরের গোঙানি। তাছাড়া দা বটিতে শান দিতেও কামারশালায় ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। ভ্রাম্যমাণ শান দেওয়ার লোকেরাও ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায়।

রাজধানীর খিলগাঁও বাজারের কামারশালায় শান দিতে আসা মাহমুদকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে বলেন, "আসলে কোরবানি চলে এসেছে।কাল পরশু গরু কিনতে যাব। এ সময় শান দিয়ে রাখা ভাল। সেইসাথে একটা ধারালো চাকুও কেনা প্রয়োজন।"

তবে কোরবানি অনুষঙ্গের রাজধানীর পাইকারি কারওয়ান বাজারের কামারশালাগুলোর ব্যস্ততা এখন সবচেয়ে বেশি। ঈদুল আজহার সময় হাজার হাজার পশু জবাই করা হয়ে থাকে। এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার চূড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যন্ত দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ইত্যাদি ধাতব হাতিয়ার আবশ্যকীয় হয়ে যায়।

তাই ঈদের বিপুল চাহিদার জোগান দিতে আরও এক মাস আগে থেকেই অর্ডার ও অর্ডারের বাইরে পুরোদমে কাজ শুরু করে দেন কামাররা।

যেখানে পাবেন : রাজধানীর খিলগাঁও বাজার, কারওয়ান বাজার সংলগ্ন কামারপল্লী, মগবাজার, ডেমরা, ঠাঁটারীবাজার, মহাখালী, জুরাইন, কুড়িল কামারপল্লী থেকে আপনার প্রয়োজনীয় দা, বঁটি, ছুরি সহজেই কিনে বা অর্ডার দিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন।

দরদস্তুর:লোহার দা-ছুরি সবসময়ই বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে। তবে আকৃতি ও লোহাভেদে দাম ওঠানামা করে। ৫০ থেকে ৪৮০ টাকা, ছুরি ৩০ থেকে ৩০০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি একেকটি ২০০ থেকে ৪০০ টাকা, লোহা ধার করা স্টিলের দাম পড়বে প্রতিটি ৫০ থেকে ১০০ টাকা।

তবে ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এ দাম আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হয়। অর্ডার দিয়েও এসব যন্ত্রপাতি বানিয়ে নেওয়া যায়। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে দিতে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত মজুরি রাখা হয়।


সূত্র - poriborton.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বক্ষব্যাধি এমফাইসিমা
Previous Health Tips: কোরবানির গোশত গ্রহণে সাবধানতা

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')