
ঈদের সাজের সঙ্গে চুলের স্টাইলও হওয়া চাই নজরকাড়া। এ জন্য চুলের যত্ন নেওয়া চাই। ঈদের আগে আরেকটু যত্ন করলেই চুল ঝরঝরে দেখাবে। তবে বাড়তি যত্নআত্তি শুরু করতে হবে ঈদের অন্তত সাত দিন আগ থেকে।
কীভাবে ঈদের আগে চুল প্রাণবন্ত করে তুলবেন, এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন হারমনি স্পার রূপ বিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা।
চুল ঝরঝরে রাখতে হলে নিয়মিত তেল ব্যবহার করতে হবে। যাঁরা তেল ব্যবহার করতে পছন্দ করেন না, তাঁরা তেল লাগানোর এক ঘণ্টা পরে চুল ধুয়ে ফেলতে পারবেন। এতেও কাজ হবে।
স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের জন্য তেলের সঙ্গে লেবু যোগ করতে পারেন। এরপর তোয়ালে গরম পানিতে ভিজিয়ে চুল পেঁচিয়ে ১০ মিনিট রাখলেই হবে। এবার চুল ধুয়ে ফেলা। চুলে বাড়তি ঔজ্জ্বল্য আনতে চাইলে চায়ের লিকারের পানি বা ভিনেগার দিতে পারেন।
হাতে সময় থাকলে আরেকটি কাজও করা যেতে পারে। এক টেবিল চামচ মেথি দুই লিটার পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে মেথির পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। এটিই কন্ডিশনারের কাজ করবে।
এ সময় ঝরঝরে চুলের চেয়ে একটু এলোমেলো বা কোঁকড়া চুলের চল রয়েছে। তবু চুল ঝরঝরে করতে চাইলে ব্লো ড্রাই করে হালকা ফুলিয়ে রাখলে ভালো দেখাবে।
রুক্ষ চুলের জন্য
একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করতে পারেন। ১০-১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত এক দিন এই প্যাক ব্যবহার করুন।
তৈলাক্ত চুলের জন্য
তুলসীপাতা, নিমপাতা বেটে চুলে ব্যবহার করতে পারেন।
এ ছাড়া মেথির গুঁড়া, টক দই, ডিম ও অ্যালোভেরার জেল একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করলে ঔজ্জ্বল্য বাড়বে। মসৃণও থাকবে।
খুশকি দূর করতে
খুশকি থাকলে চুলে কোনো ধরনের স্টাইলই ভালো লাগে না। তাই খুশকি দূর করতে আমলকীর রস, লেবু, পেঁয়াজের রস একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারেন। এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে খুশকি দূর হবে। যেমন ইচ্ছা তেমনভাবে চুল সাজাতে পারবেন।
জেনে নিন
চুলে ব্লো ড্রাই বা চুল সোজা (স্ট্রেইট) করার আগে মুজ বা সিরাম দিয়ে নিতে হবে। এরপর এসব করলে চুলের কোনো ক্ষতি হবে না। আবার চুল যদি রুক্ষ হয়ে যায়, তখন একটু পানি ছিটিয়ে বড় দাঁতের চিরুনি দিয়ে আঁচড়াতে হবে। যাঁদের চুল কম, তাঁরা উল্টো করে আঁচড়াবেন।
সূত্র - প্রথম আলো

