গোশতের গায়ে লেগে থাকা চর্বি গোশত বানানোর সময় যতটা সম্ভব কেটে ফেলা উচিত। এছাড়া গোশত রান্নার আগে খোলা উননে কিছুটা ঝলসে নিলে চর্বি গলে পড়ে যায়। আবার গোশতকে একটু হলুদ, লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে ফ্রিজে ঠা-া করলে কিছুটা চর্বি গোশত থেকে বেরিয়ে এসে জমাকৃত অবস্থায় থাকে। একটি র্যাক বা ঝাঁঝরা পাত্রে গোশতকে রোস্ট করার সময় একটি পাত্র নিচে রেখে চুলোয় দিলে নিচের পাত্রটিতে গোশতের ঝরে যাওয়া চর্বি জমা হয়। এ পদ্ধতিতে অনেক চর্বি গোশত থেকে বাদ দেয়া যায়। মুরগির চামড়া ফেলে দিয়ে রান্না করা উচিত। কারণ একটি মুরগিতে যে পরিমাণ চর্বি থাকে তার অর্ধেক আসে চামড়া থেকে। বিভিন্ন তরকারি, রান্নায় ঘি, বাটার অয়েলের পরিবর্তে সয়াবিন, পামওয়েল, সূর্যমুখী তেল ব্যবহার করা ভালো। ফিরনি, পায়েস, মিষ্টান্ন প্রভৃতি সরতোলা দুধ দিয়ে তৈরি করা ভালো। কারণ হার্টের অসুখের জন্য শুধু চর্বিই নয়, অতিরিক্ত মিষ্টিও দায়ী।
যাদের হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ আছে তারা প্রাণীর কলিজা, মগজ, হৃৎপি- খেয়ে ফেলবেন না। এদের ক্ষেত্রে পোলাও, বিরিয়ানির পরিবর্তে খিচুড়ি খাওয়া উত্তম। প্রকৃত পক্ষে যে কারো জন্যই দুগ্ধজাত দ্রব্য কম খাওয়া ভালো। এমন জায়গায় পশু কোরবানি করা উচিত, যাতে পশুর রক্ত রাস্তায় জমাট বেঁধে না থাকে। পশুর নাড়ি পরিষ্কারের ব্যাপারেও সতর্ক থাকবেন। কারণ এর দুর্গন্ধে কাক, মাছি ও বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় বসে রোগজীবাণু ছড়ায়। অনেকে আবার মাটির নিচে পানির ট্যাঙ্কের পাশেই বর্জ্য ফেলে রাখেন এবং তা পানিতে মিশে অনেক রোগের জন্ম দেয়। স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পর্কে এতটুকু সচেতনতাই আমাদের সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের সহায়ক।
সূত্র - যায়যায়দিন

