home top banner

Health Tip

বিশেষ শিশুদের স্কুলে পাঠানোর জন্য ৫ টি জরুরী টিপস
31 July,13
  Viewed#:   251

নতুন স্কুলে যাওয়া অথবা নতুন ক্লাসে উঠার পর অনেক শিশুই ক্লাসে যেতে ভয় পায়। নতুন বন্ধু, নতুন

টিচারদের নিয়ে তাদের মনে অনেক সংশয়, অনেক দ্বিধা কাজ করে। বিশেষ শিশুদের ক্ষেত্রেও

এর ব্যতিক্রম হয় না। তাদেরও স্কুলে যাওয়ার আগে মনে থাকে হাজারো প্রশ্ন, হাজারো

সংশয়। নিম্নে বিশেষ শিশুদের স্কুলে যাওয়ার উপযোগী করে তোলার জন্য ৫ টি সহজ কিন্তু

অতি জরুরী টিপস দেয়া হল-

১) স্কুল ঘুরে আসা

স্কুল শুরুহওয়ার পূর্বে কিছুদিন ধরে স্কুলের অনেক টিচাররা প্রায়ই স্কুলে আসেন। তারা ক্লাসরুম

সাজানো, বেঞ্চ সাজানো ইত্যাদি কাজ করেন। এই সময়ে তারা তাদের ভবিষ্যৎ ছাত্র/ছাত্রীদের

পেলে স্বাগত জানান , অনেক সময় তাদের কাজে সাহায্য করতে বলেন। এভাবে স্কুল শুরুর আগে স্কুলে

কয়েকবার ঘুরে আসা, ক্লাসরুমটি দেখে আসা, টিচারের সাথে পরিচিত হলে বিশেষ শিশুদের স্কুলে

যাওয়ার আতঙ্ক কমে আসে অনেকটা।

২) স্কুল নিয়ে গল্প লেখা

যখন সন্তানকে নিয়ে স্কুলে যাবেন তখন স্কুলের বিভিন্ন জায়গায়, টিচারের সাথে তার ছবি তুলে রাখুন। সব

ছবিগুলোকে ব্যবহার করে আপনার সন্তানের জন্য লিখে ফেলুন স্কুল নিয়ে মজার কোন গল্প। গল্পটি

আপনার সন্তানকে দেখান অথবা পড়ে শোনান।

৩) স্কুলের বুন্ধুদের সাথে পরিচিতি

অনেক স্কুলই ক্লাস শুরুর আগে ক্লাসের ছাত্র-ছাত্রীদের নামের লিস্ট দিয়ে দেয়। এই লিস্ট থেকে অথবা

স্কুলে ভর্তির সময় আপনার সন্তানের হবুবন্ধুদের এবং তাদের মা-বাবার সাথে পরিচিত হোন। স্কুল শুরু

হওয়ার পূর্বে অন্যান্য শিশুদের সাথে আপনার সন্তানের কয়েকবার দেখা করিয়ে দিন। তাকে স্কুল শুরুর

আগেই দুই- এক জন নতুন বন্ধুবানাতে সহায়তা স্কুন। ফলে যখন আপনার সন্তান স্কুলে যাবে তখন সে

ক্লাসরুমেই কিছুপরিচিত মুখ দেখতে পাবে।

৪) সন্তানকে সাথে নিয়ে স্কুলের জন্য প্রয়োজনীয় শপিং করুন

স্কুলের জন্য প্রয়োজন বই, খাতা, পেন্সিল, ব্যাগ, পানির ফ্লাস্ক ইত্যাদি জিনিসপত্র কিনতে আপনার

সন্তানকে সাথে নিয়ে যান। বিভিন্ন দোকান ঘুরে ঘুরে তার পছন্দ মত স্কুলের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলি

কিনে দিন। এতে সে স্কুলে যাওয়ার আগেই তার সুন্দর জিনিসপত্র নিয়ে গর্ববোধ করবে।

৬) গল্প লিখুন আপনার শিশুর বন্ধুদের জন্য

বিশেষ শিশুদের জন্য আলাদা স্কুল আছে, তবুও অনেকেই সাধারণ স্কুলগুলিকে বেছে নেয় সন্তানের শিক্ষার

জন্য। সাধারণ স্কুলগুলিতে আপনার শিশুর বন্ধুবানাতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি

আপনার সন্তানের পরিচিতি মূলক একটি ছোট বই লিখতে পারেন।

বইটিতে আপনি আপনার সন্তানের ব্যাপারে লিখুন। তার পছন্দ অপছন্দ, হবি ইত্যাদি ব্যাপারে লিখে

রাখুন।

বইটিতে কিছুটা কঠিন ভাষায়, আপনার সন্তান বুঝতে না পারে এমন ভাষায় সাহায্য চাওয়ার মত

কিছু কথা লিখে রাখুন। যেমন - " আমি একজন স্মার্ট মেয়ে, কিন্তু কিছু কাজ আমার জন্য

অনেক কষ্টকর। আমার কথা বলতে, আলাপ করতে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আমি

প্রতিদিনই কঠোর পরিশ্রম করছি এবং ধীরে ধীরে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠছি। সামনে এগোতে

আমার আপনার সাহায্য দরকার। আপনি আমাকে একটু হেল্প করবেন?"।

প্রয়োজনীয় কথা লিখে বইটির কয়েকটি কপি করান। কয়েকটি কপি আপনার শিশুর ক্লাসমেটদের বাবা মার

সাথে শেয়ার করুন। তাদেরকে জানান আপনার শিশুতাদের শিশুথেকে কেন একটুআলাদা।
 

Friendship circle

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আবাসন: ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন ঘর কি নিরাপদ?
Previous Health Tips: বর্ষায় তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')