রমজান মাসে ব্যয়াম না করার মনোভাব কখনই আসা উচিৎ নয়। শরীরচর্চা এবং ব্যয়াম সুস্থ
শরীরের জন্য অপরিহার্য। তবে রমজানে শরীরচর্চার সময় এবং ধরনে কিছুপরিবর্তন আনা উচিৎ।
১) রমজানে ব্যয়াম করার উপযুক্ত সময় হল – সকালে ( সেহরির পরের সময়) এবং সন্ধ্যায়
(ইফতারের পরের সময়)। তবে বেশিরভাগ মানুষই ইফতারের পরে ব্যয়াম করাটা বেছে নেন।
২) যারা জিমে যান এবং বডি বানান তারা বিশেষ ডায়েট মেনে চলেন। আপনার ইফতার এবং সেহরির
মেন্যুতে ডায়েট অনুযায়ী খাবার রাখুন।
৩) যারা স্বাভাবিক শরীরচর্চার জন্য জিমে যান তারা জিমে যাওয়ার আগের বেলার খাবারে
শক্তিপ্রদায়ক বিভিন্ন খাবার খান। ডিম, দুধ, একমুঠ বাদাম এবং ফলমূল ইত্যাদি খাবার
রাখুন মেন্যুতে।
৪) বিভিন্ন কঠিন ব্যয়াম যেমন – কার্ডিও, হাই ইনটেনসিটি এই ধরনের ব্যয়াম পরিমিত পরিমানে
করুন। হঠাৎ করে কোন কঠিন ব্যয়াম করবেন না। এতে তেষ্টা পেতে পারে।
৫) হালকা ধরনের ব্যয়াম দিয়ে শরীরচর্চা শুরুকরুন। ধীরে ধীরে ব্যয়ামের পরিমান বাড়ান।
৬) যেকোনো ধরনের কষ্ট সাধ্য ব্যয়াম ইফতারের পর করার চেষ্টা করুন।
৭) ইফতারের পর ব্যয়াম করলে ব্যয়াম শেষে ১ বা ২ গ্লাস লেবুর শরবত খান।
৮) রমজানে যারা নিয়মিত ব্যয়াম করেন তাদের প্রচুর পরিমানে পানি পানের কোন বিকল্প নেই।
ইফতারের পর থেকে সেহরির পর্যন্ত যখনি সম্ভব পানি পান করুন।
৯) ব্যয়ামের পর শরীরে তাড়াতাড়ি শক্তি বাড়াতে ১ গ্লাস পানিতে গ্লুকোজ গুলিয়ে পান করুন।
১০) বেশি পরিমানে ব্যয়ামের আরেকটি টিপস হল – যথাসম্ভব ঘরের ভিতরে বা এয়ার কন্ডিশন রুমে
ব্যয়াম করুন। এতে শরীরে পানি অপচয় হয় কম এবং অনেক্ষন চর্চা করার শক্তি থাকে।
১১) শরীরের শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে নাক দিয়ে নিশ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে ছাড়ার ব্যয়াম
কয়েকবার করে করুন।
১২) সেহরি এবং ইফতারে অতিরিক্ত লবন এবং চিনি সমৃদ্ধ খাবার এড়িয়ে চলুন।
১৩) যারা নিয়মিত প্রচুর ব্যায়াম করেন তারা ডাক্তার এবং ট্রেইনারের সাথে পরামর্শ করে
প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং সাপ্লিমেন্ট গ্রহন করুন।
১৪) সেহরি এবং ইফতারে ওট মিল, চিড়া ইত্যাদি খাবার খান। এগুলি পেটে প্রবেশ করে পানি শোষণ করে
সূত্র - ইন্টারনেট

