home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা
১২ জুলাই, ১৩
  Viewed#:   375

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখার পূর্বে অবশ্যই প্রথমে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আপনার চিকিৎসকের



সাথে কথা বলে জেনে নিন আপনার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় রোজা রাখা কতটা সঙ্গতিপূর্ণ। ডাক্তারের



পরামর্শের সাথেও একজন হবুমায়ের উচিত যথেষ্ট পরিমান সতর্কতা বজায় রাখা। নিম্নে গর্ভাবস্থায় রোজা



রাখার বিষয়ে কিছুটিপস উল্লেখ করা হল –



সেহরির সময়ে



• সেহরির সময় প্রোটিন এবং পরিমিত ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন এবং ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার



পরিপাকতন্ত্রে অধিক সময় থাকে এবং ধীরে ধীরে পরিপাক হয়। ফলে দিনের বেলায় ক্ষুধা কম অনুভূত



হয়। সেহরিতে পরিমিত পরিমানে মাংস অথবা মাছ খান। মাছ-মাংসের প্রোটিন শরীরে



অনেকক্ষন জমা থেকে ক্ষুধা কমায়।



• শরীরের জীবনীশক্তি এবং কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান।



• সেহরিতে চিনিযুক্ত খাবার বর্জন করুন। বেশি চিনিযুক্ত খাবার খেলে কিছুসময় পর আবার ক্ষুধা



অনুভূত হতে পারে।



• স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি সেহরিতে এক কাপ দুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন। দুধ গর্ভবতী মহিলাদের



অ্যানিমিয়া হওয়ার প্রবণতা কমায়।



• প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। ইফতার থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান



করুন।



রোজা রাখার সময়



• রোজা রাখার সময় নিজের শরীর নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে সওয়াব এবং পুণ্য লাভের আশায় দিনটি



• স্বাভাবিক দিনের থেকে রোজার সময়ে বেশি করে বিশ্রাম নিন।



• কর্মজীবী মহিলারা প্রতিদিনের কাজগুলিকে একটি ছকে বেঁধে ফেলুন। কাজের চাপ কমাতে বিশ্রাম



• যেকোনো প্রকারের স্ট্রেস এবং দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।



• বেশি সময় রোদে অবস্থান করবেন না।



ইফতারের সময়



• ইসলামের সুন্নাহ মেনে চলুন। ১টা বা ২ টা খেজুর এবং তাজা ফলের জুস দিয়ে ইফতার শুরুকরুন। শরীরের



গ্লুকোজের পরিমান নিয়ন্ত্রণে আনতে চিনিযুক্ত খাবার দিয়ে ইফতার শুরুকরা উচিৎ। তবে গর্ভবতী



মহিলাদের পরিমিত পরিমানে চিনিযুক্ত খাবার গ্রহন করা উচিৎ।



• হালকা কিছুখেয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করুন। নামাজ পরে এসে হঠাৎ বেশি করে খাবেন না। অল্প অল্প



করে খাওয়া শুরুকরুন। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান।



• প্রচুর পরিমানে ফল এবং সবজি খান।



• তারাবীহর নামাজ আদায় করে হালকা খাবার দিয়ে ডিনার করুন।



• ঘুমানোর পূর্বে হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে যান।



অতিবাহিত করুন।



নিয়ে অল্প অল্প করে কাজ করুন।



Source - www.tipspregnancy.info

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রমজানে রূপচর্চা
Previous Health Tips: সেহির আর ইফতারে সঠিক পুষ্টি

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')