গর্ভাবস্থায় রোজা রাখার পূর্বে অবশ্যই প্রথমে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। আপনার চিকিৎসকের
সাথে কথা বলে জেনে নিন আপনার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় রোজা রাখা কতটা সঙ্গতিপূর্ণ। ডাক্তারের
পরামর্শের সাথেও একজন হবুমায়ের উচিত যথেষ্ট পরিমান সতর্কতা বজায় রাখা। নিম্নে গর্ভাবস্থায় রোজা
রাখার বিষয়ে কিছুটিপস উল্লেখ করা হল –
সেহরির সময়ে
• সেহরির সময় প্রোটিন এবং পরিমিত ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন এবং ফ্যাট সমৃদ্ধ খাবার
পরিপাকতন্ত্রে অধিক সময় থাকে এবং ধীরে ধীরে পরিপাক হয়। ফলে দিনের বেলায় ক্ষুধা কম অনুভূত
হয়। সেহরিতে পরিমিত পরিমানে মাংস অথবা মাছ খান। মাছ-মাংসের প্রোটিন শরীরে
অনেকক্ষন জমা থেকে ক্ষুধা কমায়।
• শরীরের জীবনীশক্তি এবং কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে ভিটামিন সি এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান।
• সেহরিতে চিনিযুক্ত খাবার বর্জন করুন। বেশি চিনিযুক্ত খাবার খেলে কিছুসময় পর আবার ক্ষুধা
অনুভূত হতে পারে।
• স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি সেহরিতে এক কাপ দুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন। দুধ গর্ভবতী মহিলাদের
অ্যানিমিয়া হওয়ার প্রবণতা কমায়।
• প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। ইফতার থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত কমপক্ষে ২ লিটার পানি পান
করুন।
রোজা রাখার সময়
• রোজা রাখার সময় নিজের শরীর নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে সওয়াব এবং পুণ্য লাভের আশায় দিনটি
• স্বাভাবিক দিনের থেকে রোজার সময়ে বেশি করে বিশ্রাম নিন।
• কর্মজীবী মহিলারা প্রতিদিনের কাজগুলিকে একটি ছকে বেঁধে ফেলুন। কাজের চাপ কমাতে বিশ্রাম
• যেকোনো প্রকারের স্ট্রেস এবং দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলুন।
• বেশি সময় রোদে অবস্থান করবেন না।
ইফতারের সময়
• ইসলামের সুন্নাহ মেনে চলুন। ১টা বা ২ টা খেজুর এবং তাজা ফলের জুস দিয়ে ইফতার শুরুকরুন। শরীরের
গ্লুকোজের পরিমান নিয়ন্ত্রণে আনতে চিনিযুক্ত খাবার দিয়ে ইফতার শুরুকরা উচিৎ। তবে গর্ভবতী
মহিলাদের পরিমিত পরিমানে চিনিযুক্ত খাবার গ্রহন করা উচিৎ।
• হালকা কিছুখেয়ে মাগরিবের নামাজ আদায় করুন। নামাজ পরে এসে হঠাৎ বেশি করে খাবেন না। অল্প অল্প
করে খাওয়া শুরুকরুন। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খান।
• প্রচুর পরিমানে ফল এবং সবজি খান।
• তারাবীহর নামাজ আদায় করে হালকা খাবার দিয়ে ডিনার করুন।
• ঘুমানোর পূর্বে হালকা গরম দুধ খেয়ে ঘুমাতে যান।
অতিবাহিত করুন।
নিয়ে অল্প অল্প করে কাজ করুন।
Source - www.tipspregnancy.info

