home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

আসুন জেনে নেই ১২টি ভেষজ চিকিৎসা পদ্ধতি
১৮ মার্চ, ১৪
Tagged In:  inflammatory herbal  herbal treatment  
  Viewed#:   351

Herbal-Treatmentপ্রযুক্তির আশীর্বাদ হিসেবে গণ্য করা হয় চিকিৎসা ব্যবস্থাকে। এই আধুনিক যুগে ঘরে বসেই আপনি যে কোন রোগ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে ফেলতে পারেন। প্রাচীনকালে এটা সম্ভব ছিল না। তাহলে রোগ-বালাই হলে মানুষ কী করতো– সেটা একটা প্রশ্নই বটে।

বর্তমানের মতো আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি না থাকলেও প্রাচীনকালে ছিলো ভেষজ বা হারবাল চিকিৎসা পদ্ধতি। সর্বস্বীকৃত এই পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতিই মানুষকে শতাব্দীর পর শতাব্দী সুস্থ রেখেছে।

ভেষজ চিকিৎসা পদ্ধতি:
১। দাঁত ব্যথায় পেয়ারার পাতা চিবাতে পারেন। পেয়ারার পাতা দাঁত ব্যথা উপশমে দারুণ ভূমিকা রাখে।

২। যাদের শ্বাসকষ্ট আছে তারা বাসক পাতা ও ছাল একসঙ্গে সেদ্ধ করে বেঁটে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। শ্বাসকষ্ট নিরাময় হবে।

৩। তেঁতুল পাতার রস সামান্য পানিতে মিশিয়ে খেলে কৃমির সমস্যা দূর হয়। পেটের কৃমি দূর করতে প্রতিদিন সকালে নাস্তার পর এক চামচ কুঁচানো নারকেল খাবেন, পেটের কৃমি দূর হয়ে যাবে।

৪। বদহজমে নিমের ছাল আদর্শ ঔষধ। এক টুকরো নিমের ছাল এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরদিন খালি পেটে খেলে অজীর্ণ রোগ সেরে যাবে।

৫। মায়ের বুকে দুধের স্বল্পতা থাকলে কলমি শাক খাওয়াতে পারেন। কলমি শাক বেঁটে ২ চামচ রস ঘি দিয়ে সকাল-বিকাল খেলে বুকে দুধ আসবে।

৬। ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভালো হবে।

৭। মুখে ব্রণ উঠলে লবঙ্গ বেঁটে লাগিয়ে দিন। দাগসহ ব্রণ মিলিয়ে যাবে।

৮। ঘামের দুর্গন্ধের সমস্যা থাকলে বেল পাতার রস পানির সাথে মিশিয়ে ঘর্মাক্ত স্থান মুছুন। দুর্গন্ধ কমে যাবে।

৯। ঠোঁটের দু’পাশে এবং মুখের ভেতরে অনেক সময় ঘায়ের মত হয়। গাব ফলের রসের সাথে অল্প পানি মিশিয়ে কয়েকদিন মুখ ধুলে ঘা সেরে যায়।

১০। অনেকের নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সমস্যা আছে। ডাব খেলে অথবা খালি পেটে নারিকেল খেলে নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে যায়।

১১। লিভারের ব্যাথা সারাতে নিম দারুণভাবে উপযোগী। ১ গ্রাম নিমের ছাল, ১/২ গ্রাম কাঁচা হলুদ ও ১ গ্রাম খানিক শুকনো আমলকির গুঁড়োর সাথে মিশিয়ে খালি পেটে খেলে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যথা দূর হয়ে যাবে।

১২। সাধারণত কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে শিশুরা রাতে কান্নাকাটি করে। পরিত্রাণ পেতে গরুর সামান্য গরম দুধের সাথে ২০ ফোঁটা কলমির রস খাওয়ালে কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে যাবে। তবে বাচ্চার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে খাওয়ানো উচিত।

সূত্র – পরিবর্তন.কম 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: পোকামাকড়ের উপদ্রব!
Previous Health Tips: হাঁটু মচকে গেলে কী করবেন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')