home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

সকালের যে ৫ টি কাজ আপনাকে সারাদিন রাখবে মানসিক চাপমুক্ত
০৮ মার্চ, ১৪
Tagged In:  mental stress   stress control  
  Viewed#:   314

mental-stress-freeদিনের শুরুতে সকাল আমাদের সকলের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। সারাদিনের মনমানসিকতা কেমন থাকবে তা বেশীরভাগ ক্ষেত্রে নির্ভর করে সকালের ওপর। সকাল ভালো তো সারাটা দিনই ভালো। কিন্তু সকালেই যদি মন-মেজাজ খারাপ হয়ে যায় তবে পুরোদিনই মেজাজের বারোটা বেজে থাকে। তখন স্বাভাবিক একটা জিনিসেও আমাদের মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। এবং এর প্রভাব পড়ে কাজের ওপর। তাই দিনের শুরুটা যাতে ভালোভাবে শুরু হয় সেজন্য আমাদের করতে হবে কিছু কাজ। এতে করে সকাল তো ভালো যাবেই, এর সাথে পুরো দিনের মানসিক চাপও দূর হয়ে যাবে।

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন

সকালে যদি ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায় তবে প্রথমেই মেজাজ খারপ হয়ে যায়। কারণ তখন তাড়াহুড়ো করে তৈরি হতে হয় এবং কাজ করতে হয়।

তাই ভোরে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করুন। এতে আপনি ধীরে সুস্থে কাজ করতে পারবেন এবং ভালো করে তৈরি হতে পারবেন। মাথায় কোনো চাপ নিয়ে বাসা থেকে বের হতে হবে না। কাজে দেরি হয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকবে না।

গোসল করুন
অনেকেই সকালে উঠে গোসল করার সময় পান না। কিন্তু ভোরে ঘুম থেকে উঠলে গোসল করার সময় পাবেন। সকাল শুরু করুন গোসল করে। ৫-১০ মিনিট শাওয়ারের পানির নিচে রাখুন মাথা। এবং পুরো দিনের কাজ সম্পর্কে চিন্তা করুন। প্ল্যান করুন। এতে করে মাথা ঠাণ্ডা থাকবে। মনও থাকবে বেশ ভালো।

সকালে শুনুন পছন্দের গান
গান এমন একটি জিনিস যা যে কোনো পরিস্থিতিতে আমাদের মন ভালো করে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। সকালে উঠে নিজের পছন্দের গান শুনতে শুনতে গুনগুন করুন সুর। মন বেশ ফুরফুরে থাকবে। এবং দেখবেন পুরো দিনের মানসিক চাপ দূর হবে যখনই আপনি গানটি গুনগুন করবেন।

একটু চকলেট রাখুন সকালের নাস্তায়
চকলেট মতিষ্কে ভালোলাগার হরমোন ‘সেরেটেনিন’ উৎপন্ন করে। এতে করে দিনের শুরুটা ভালো যাবে। এবং যতক্ষণ পর্যন্ত এই হরমোন মস্তিষ্কে উৎপন্ন হবে ততোক্ষণই আপনি থাকবেন মানসিক চাপমুক্ত। তাই ছেলেমানুষি শোনালেও সকালের নাস্তায় রাখুন সামান্য চকলেট।

সকালে নিজেকে উপহার দিন প্রেরণামূলক কোনো বাক্য
দিনের শুরুতে পুরো দিনের জন্য তৈরি এবং আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে নিজেকে উপহার দিন প্রেরণামূলক কোনো একটি বাক্য। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বলুন ‘আমি সুন্দর’ অথবা ‘আমি পারব এই কাজটি করতে’ কিংবা ‘আমি হবো একজন সফল মানুষ’। এতে আপনি নিজেকে অনেক বেশি উৎফুল্ল পাবেন। পুরো দিন কাজে স্পৃহা আসবে। দূর করতে পারবেন মানসিক চাপ।

সূত্র - প্রিয়.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: হৃদরোগ প্রতিরোধের উপায়
Previous Health Tips: দীর্ঘ দাম্পত্যের গোপন রহস্য

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')