মুখ ঠোঁট ও জিহ্বার যত্ম
05 February,14
Viewed#: 187
মুখ বা মুখমণ্ডলের ভাঁজ থেকে আপনার বয়স অনুমান করা যায়। তাই মুখের ত্বকে ভাঁজ যেন তাড়াতাড়ি না পড়ে সে জন্য দাঁতের যত্ন নিতে হবে। দাঁত ফেলা যাবে না। দাঁত না থাকলে দাঁত বাঁধাই না করে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট করে নিতে হবে। ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট করে নিলে আপনার বয়স কমপক্ষে দশ বছর কম মনে হবে। কপাল কুচকে কথা বলার বা অভিব্যক্তি প্রকাশ করার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। সূর্যের আলো বা অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আপনার মুখের ত্বককে রক্ষা করতে হবে। সূর্যালোকে সাময়িক সানগ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে। সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। মানসিক দুশ্চিন্তা কমাতে হবে। মুখম-ল যখন বিষন্ন দেখা যায় তখন ঠোঁট, জিহ্বা এবং মুখম-লের বলিরেখাতেও তার প্রতিফলন ঘটে।
এলার্জির কারণে ঠোঁট ফুলে যেতে পারে। আবার লিপস্টিক ব্যবহারের কারণেও ঠোঁটের এমন অবস্থা হতে পারে। ঠোঁটের নিচে কোন ঘর্মগ্রন্থি বা সোয়েট গ্ল্যান্ড থাকে না। তাই ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায়। শীতকালে অবশ্যই ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। ঠোঁট ও জিহ্বা যদি নীল হয়ে যায় তাহলে ধারণা করা যায় আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন প্রবেশ করছে না বা প্রবেশ করতে সমস্যা হচ্ছে। সায়ানোসিস হলে এমনটি হতে পারে।
এলার্জির কারণে জিহ্বায় এবং মুখে বিশেষ ধরনের আলসার দেখা দিতে পারে। জিহ্বায় যদি লাল গোটা থাকে এবং এর সাথে গলায় ব্যথা, গ্রন্থি ফোলা এবং জ্বর থাকে তাহলে এটিকে মনোনিওক্লোসিস বা চুম্বন সম্পর্কিত রোগ বলা হয়। হারপিস ভাইরাসের কারণে ঠোঁটে ঘা দেখা দিতে পারে যা আমাদের দেশে জ্বর ঠোসা নামে পরিচিত। চুমুর মাধ্যমে ভাইরাস একজন থেকে অন্যজনে সংক্রমিত হতে পারে। এতএব, জীবনের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগ করা ভালো, তবে বিকৃত কোন কিছু আপনাকে সাময়িক আনন্দ দিতে পারে তবে তা আপনার জীবনকে কোনো না কোনো সময় অবশ্যই বিষন্নতার দিকে ধাবিত করবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।
সূত্র - দৈনিক ইনকিলাব