home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর খাওয়া দাওয়া
২০ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  child care  Child Health  
  Viewed#:   75

child-careআপনার ছোট সোনামণি যখন আগ্রহ করে পেটপুরে খায় তখন কতই ভালো লাগে আপনার। কিন্তু যখন খেতে চায় না, তখন? ভীষণ বিচলিত হন আপনি। ধমকে ধমকে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, রাক্ষসের গল্প শুনিয়ে হলেও খাবার খাওয়াতে থাকেন। আবার অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খাওয়ানের চেষ্টা করেন। আসলে শিশুদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে আমরা অধিকাংশই কিছু ভুল পদ্ধতি গ্রহণ করে থাকি। যেমন_ অনেকেই দেখা যায় পাঁচ মাসের কম বয়সী শিশুদের চামচ করে বা ফিডারে করে পানি খাওয়াতে চেষ্টা করে। এটি একটি অপ্রয়োজনীয় কসরত। 

পাঁচ মাস বয়সে শিশুর মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। এর বাইরে এক ফোঁটা পানিরও প্রয়োজন নেই। বরং এ সময় শিশুদের পানি খাওয়ানোর চেষ্টা করলে শ্বাসনালিতে পানি ঢুকে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ মা-ই শিশুর খাওয়ার পরিমাণ নিয়ে সন্তুষ্ট নন। কিন্তু মনে রাখবেন আপনার শিশুর ক্ষুধা পেলে সে অবশ্যই আপনাকে জানান দেবে। ক্ষুধার্ত শিশুকে খাওয়ার প্রতি অনীহা, বিতৃষ্ণা এবং ভীতির সৃষ্টি করাবেন না। 

অনেকেই কান্নারত শিশুর মুখে খাবার তুলে দেন। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। শ্বাসনালিতে খাবার আটকে মারাত্মক জটিল অবস্থায় সৃষ্টি হতে পারে। ২৪ ঘণ্টায় শিশুর ছয় ও তার অধিকবার প্রস্রাব হলে বুঝবেন আপনার শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণে বুকের দুধ পাচ্ছে। আর নিয়মিত ওজন করে গ্রোথ চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখলেই বুঝবেন আপনার শিশুর বৃদ্ধি ঠিক আছে কিনা। ছয় মাস বয়স থেকে শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি যে খাবার খাওয়াবেন সে ব্যাপারে আপনাকে সচেতন থাকতে হবে। নরম সবজি খিচুড়ি এ সময়ের জন্য আদর্শ। ধীরে ধীরে অন্যান্য খাবারও অভ্যস্ত করে তুলুন। তবে কতটুকু খাবে তা সম্পূর্ণ ছেড়ে দিন শিশুর সিদ্ধান্তের ওপরই। 

সূত্র - যায়যায়দিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: শিশুর অ্যালার্জি
Previous Health Tips: শীতে ছেলেদের ত্বকের যত্ন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')