home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

কিডনি রোগ প্রতিরোধে করণীয়
২৮ ডিসেম্বর, ১৩
Tagged In:  kidney complications  kidney disease  
  Viewed#:   265

kidney-problemsবর্তমান বিশ্বে কিডনি রোগ একটি মারাত্মক সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশেও ঠিক একইভাবে কিডনি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। দেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ কোনো না কোনো ভাবে কিডনি রোগে ভুগছেন। প্রতি বছর ৩৫ হাজার রোগী কিডনি বিকল হয়ে মারা যাচ্ছে। আমাদের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশে কিডনি বিকল রোগের চিকিৎসা থেকে প্রতিরোধ ব্যবস্থাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বের উন্নত দেশসহ আমাদের দেশে কিডনি বিকল হওয়ার মূল কারণ নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস ওউচ্চ রক্তচাপ।

রোগের লক্ষণ সমূহ- প্রস্রাবে অসুবিধা : যেমন প্রস্রাবের পরিমাণ কম বা বেশি হওয়া। প্রস্রাব বারবার হওয়া। থেমে থেমে ধীর গতিতে হওয়া, হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া। প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া অথবা ব্যথা অনুভব হওয়া, প্রস্রাবে মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন বা রক্ত আসা।প্রস্রাবে ফেনা আসা বা রং পরিবর্তন হওয়া

* শরীর ফুলে যাওয়া বিশেষ করে মুখবা চোখের নিচে ফুলে যাওয়া
* কোমরের দুই পাশে অথবা তলপেটে ব্যথা হওয়া।
* যখন কিডনি বিকল হয় তখন কিছু বিশেষ বিশেষ উপসর্গ দেখা যেতে পারে- যেমন : খাওয়ায় অরুচি, বমি বমি ভাব, শারীরিক দুর্বলতা, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, শরীর ফ্যাকাশে বা রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়া।
এ ছাড়া কিডনি রোগ নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত। এছাড়া Real Function Test  অর্থাৎ-

(১) রক্তে ক্রিয়েটিনিসের মাত্রা, হিমোগ্লোবিনসহ Complete Blood Count (CBC), ইউরিয়া (Urea) Uric Acid ইত্যাদি পরীক্ষণ।
(২) প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা (Urine R/M/E) যেমন-মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন, গ্লুকোজ কিংবা রক্ত নির্গত হচ্ছে কিনা।
(৩) কিডনির আলট্রাসনোগ্রাফি (USG of  KUG) 
(৪) কিডনির এক্সরে (X-Ray of hub with Lumbosacral Spine) ইত্যাদি পরীক্ষা।

প্রতিরোধে করণীয়- শিশুদের গলা ব্যথা বা খোসপাঁচড়া হলে অবহেলা করা যাবে না, কারণ তাতে কিডনি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিডনির যে কোনো প্রদাহ বা ইনফেকশনে অতিসত্বর চিকিৎসা করাতে হবে
*যারা দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, তারা অবশ্যই কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত কিডনি চেকআপ করে নিন। কারণ তাদের কিডনি রোগে আক্রান্তের আশঙ্কা বেশি থাকে
* নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়মিত ওষুধ সেবনে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। একইভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেশি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা নিন।
*অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ভিজিজসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যসম্মত আহারের মাধ্যমে আপনার শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন
* চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক বা এন্টিবায়োটিক গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন।
* ধূমপান পরিহার করুন। কোমরে বা তলপেটে ব্যথা হলে কিডনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সূত্র - বিডিপ্রতিদিন.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: শিশুদের অ্যাজমা
Previous Health Tips: শিশুর জন্মের পরে মায়ের চুল পড়া

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')