সাভারে ভবনধসে আহত ব্যক্তিদের অনেকেই এখনো নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। প্রথম আলো ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে মেরিল-প্রথম আলো সাভার সহায়তা তহবিলের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করে এ ধরনের কয়েকজন রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়। তাঁদের মধ্য থেকে ছয়জনের চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণগোপাল দত্তের সহযোগিতায় সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. রুহুল আমীন মিয়া, সহকারী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন (নিউরোসার্জন ও স্পাইনাল সার্জন) ও সহকারী অধ্যাপক ডা. কৃষ্ণপ্রিয় দাশের (অর্থোপেডিক্স) সমন্বয়ে একটি বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের চিকিৎসকেরা গত ৩১ আগস্ট এই ছয়জন রোগীকে দেখেন। চিকিৎসকেরা রোগ নির্ণয়ের জন্য তাঁদের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দেন। তহবিলের উদ্যোগে যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে তাঁদের পুনর্বার চিকিৎসকদের কাছে নিয়ে গেলে তাঁরা ব্যবস্থাপত্র লিখে দেন। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকেরা দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করার কথা বললেও রিপোর্ট দেখার পর তাঁরা বলেন, বাড়িতে থেকে নিয়মিত ওষুধপথ্য সেবন ও কিছু ব্যায়াম করলে এ রোগীরা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবেন। নির্দিষ্ট সময় পর পর তাঁদের দেখা করার পরামর্শও দেন চিকিৎসকেরা।
যাঁদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হলো: রাফিয়া (জয়পুরহাট), শাপলা বেগম (রংপুর), আল-আমিন (রংপুর), মিঠুন আহমেদ (টাঙ্গাইল), গৌরাঙ্গ সাহা (বগুড়া) ও মো. শাহাবুদ্দীন (বরিশাল)।
চিকিৎসা খরচ: ৩১ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর সহায়তা তহবিলের খরচে এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এই ছয়জনের চিকিৎসা-সংক্রান্ত মোট ব্যয় হয়েছে ৮৬ হাজার টাকা। চেকআপ বাবদ নয় হাজার ৬১০ টাকা, ওষুধপথ্য বাবদ দেওয়া হয়েছে (প্রতিজনকে পাঁচ হাজার করে) ৩০ হাজার টাকা, যাতায়াত (নিজগ্রাম-ঢাকা ও ঢাকা-নিজগ্রাম), থাকা-খাওয়া ও অন্যান্য বাবদ ১৬ হাজার ৩৯০ টাকা এবং মিঠুন আহমেদের দাঁতের চিকিৎসার জন্য একটি বেসরকারি ডেন্টাল ক্লিনিকে খরচ হয় ৩০ হাজার টাকা।
সূত্র- প্রথম আলো

