চলন্ত ট্রেনে বাইরে থেকে ছোড়া পাথরের আঘাতে নিহত প্রকৌশলী প্রীতি দাশ নিহতের ঘটনায় তিন দফা সুপারিশ করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে চলন্ত ট্রেনে ঢিল ছোড়ার ঘটনা বন্ধে জনসচেতনাতা ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।
তদন্ত কমিটির সদস্য রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী পরিবহন কর্মকর্তা(এটিও) আব্দুর রাজ্জাক বাংলানিউজকে জানান, মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার(ডিআরএম) সুকুমার ভৌমিকের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তারা।
তদন্ত প্রতিবেদনে এ ধরণের ঘটনা রোধে তিনটি সুপারিশ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন,‘রেলওয়ে আইনের ১২৭ ধারায় দুষ্কৃতিকারীদের শাস্তি প্রদান, রেডিও, টেলিভিশন ও পত্রিকার মাধ্যমে প্রচারণা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে।’
আবদুর রাজ্জাক বলেন, তদন্তে আমরা পাথর নিক্ষেপে প্রীতি নিহতের কারণ এবং কারা এ ঘটনা ঘটিয়ে তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
খেলাচ্ছলে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন,‘যে সময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে ওই সময়ে খেলা করার কথা নয়। দুস্কৃতিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।‘
ঈদের ছুটি কাটিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঢাকা যাওয়ার পথে গত ১০ আগস্ট ঢাকামুখী তূর্ণা নীশিতা ট্রেনটি সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি পৌঁছলে বাইরে থেকে ছোড়া পাথরে প্রকৌশলী প্রীতি দাশ নিহত হন।
এ ঘটনায় ১২ আগস্ট রেলওয়ে পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা রুজু করেন। একইদিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সহকারী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদুল্লাকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়।
ওইদিন রুবেল নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে রেলওয়ে পুলিশ। এরপর গত সোমবার ইকবাল হোসেন নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করা হয়।
রেলওয়ে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদেরকে দুই দিনের রিমাণ্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।
সূত্র- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

