home top banner

খবর

ম্যালেরিয়ার টিকার খোঁজে গবেষণা
২৮ ডিসেম্বর, ১৩
Tagged In:  malaria vaccine   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   59

ম্যালেরিয়ার কথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই৷ মশা-মাছি নিয়ে ঘর করাটা অনেকের কাছে স্বাভাবিক৷ ‘মশা মারতে কামান দাগা’-র মতো প্রবচনেই তো লুকিয়ে রয়েছে বাঙালি জীবনে ম্যালেরিয়ার কাহিনি৷ কিন্তু সেই ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে টিকা?

মশার কামড় শেষমেষ মৃত্যু ডেকে আনতে পারে, কেননা স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালিগন্যান্ট প্যারাসাইট থাকে, যা থেকে ম্যালেরিয়া রোগ হয়৷ একশো'টির কম প্যারাসাইট থেকেই এই মারাত্মক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যেতে পারে৷ রক্তের মাধ্যমে ম্যালেরিয়ার প্যাথোজেন যকৃতে পৌঁছয়৷ সেখানে তারা বাসা বাঁধে, বংশবৃদ্ধি করে, বিভক্ত কোষগুলির মাধ্যমে রক্তে গিয়ে পৌঁছয়৷

এইভাবে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু হাজারে হাজারে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে৷ রোগীর শরীরে আবার মশা কামড়ালে, প্যারাসাইটগুলি সেই মশার শরীরেও বংশবৃদ্ধি করতে পারে৷ এইভাবেই রোগ ছড়াতে থাকে৷ জ্বর, কাঁপুনি, পেট মোচড়ানো – এই সব লক্ষণ দিয়েই ম্যালেরিয়ার সূচনা৷ ম্যালেরিয়া হল দরিদ্রদের রোগ৷ বছরে প্রায় দশ লাখ মানুষ এই রোগে মারা যান, তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু৷ কিন্তু ম্যালেরিয়ার কোনো কার্যকরী প্রতিষেধক নেই, নেই কোনো কার্যকরী ওষুধ৷

মোকাবিলার উপায়

ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে প্রধান অস্ত্র হল মশা মারার জন্য কীটনাশক, যদিও সেগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে৷ আফ্রিকাতে ডিডিটি-র ব্যবহার পর্যন্ত বৈধ, যদিও ডিডিটি থেকে ক্যানসার হতে পারে, ডিএনএ-র হানি ঘটতে পারে৷ ওদিকে মশারা ক্রমেই ডিডিটি-র বিরুদ্ধে ‘ইমিউন', অর্থাৎ অনাক্রম্য হয়ে উঠছে৷

এককালে যে সব ওষুধে কাজ হতো, ম্যালেরিয়ার প্যারাসাইটগুলি আজ সেগুলির বিরুদ্ধেও ইমিউন৷ তারা নিজেদের ‘অ্যাডাপ্ট' করে নিয়েছে, অর্থাৎ মানিয়ে নিয়েছে৷ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হল আরেকটি প্রচেষ্টা৷ গবেষকরা মশা ও প্যারাসাইটের জেনেটিক পরিবর্তন করে ম্যালেরিয়ার প্রসার রোধ করার চেষ্টা করছেন৷ ল্যাবোরেটরি পরীক্ষায় ইঁদুরকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়, যাতে সে মশার কামড় টের না পায়৷ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে পরিবর্তিত প্যাথোজেন তার আর কিছু করতে পারে না৷

টিকার স্বপ্ন

সবচেয়ে সহজ পন্থা হল ম্যালেরিয়ার টিকা তৈরি করা৷ সুদীর্ঘ ৩০ বছর গবেষণার পর আজ সত্যিই একটি টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে, যা মানুষের শরীরে রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে৷ বেৃটিশ ওষুধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সোস্মিথক্লাইন বা জিএসকে-র আশা, তাদের এই টিকা ২০১৫ সালের মধ্যে সর্বত্র ব্যবহৃত হবে৷

কিন্তু ফিল্ড টেস্ট করে ততোটা ভালো ফল পাওয়া যায়নি৷ পাঁচ থেকে সতেরো মাসের শিশুদের মাত্র অর্ধেককে ম্যালেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে এই টিকা৷ আরো ছোটদের মাত্র এক-চতুর্থাংশ এভাবে ম্যালেরিয়ার হাত থেকে রক্ষা পায়৷ কাজেই এই নিঃশব্দ মারণব্যাধির বিরুদ্ধে সংগ্রাম এখানেই শেষ হয়ে যায়নি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটালে শিশুমেলা
Previous Health News: সুচিত্রা সেন আবারও হাসপাতালে

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')