home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

বুকে গ্যাসের চাপের উপসর্গ
০৫ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  gastric problem  
  Viewed#:   267

কারণঃ গ্যাসের কারণে বুকে ব্যথার গৃহ চিকিৎসা

গ্যাসের কারণে ব্যাথা একটি খুবই সাধারণ বিষয় যার অভিজ্ঞতা সকলেরই জীবনের যেকোনো প্রান্তে হতে পারে। আমাদের সকলেরই অন্ত্র থেকে যখন গ্যাস নির্গত বা flstulus হয় তা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে যখন এটি বেশী পরিমাণে হয়ে থাকে তখন বিব্রতকর হতে পারে। আবার, গ্যাস যখন ভেতরে আটকা পরে এবং ব্যাথার কারণ হয়, তখন এটি হৃদরোগ জাতীয় সমস্যার মত ভুল সংকেত দিতে পারে। কখনো কখনো নির্দিষ্ট কিছু খাবার গ্রহণ করলে অন্ত্রে গ্যাস তৈরি হতে পারে এবং তা কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার দিকে মোড় নিতে পারে। এ সমস্যার সাথে ব্যাথা শুরু হতে পারে যা মূলত অন্ত্রে গ্যাস তৈরি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে। এসবের উপসর্গ, কারণ এবং এর সাধারণ গৃহ চিকিৎসা নিবন্ধের পরবর্তী অংশে আলোচনা করা হয়েছে।

পাকস্থলীতে গ্যাস তৈরি হওয়ার কারণ সমূহ

যখন বুকে গ্যাসের ব্যাথা অনুভূত হয়, সেটা প্রধানত পেটের এলাকায় গ্যাস তৈরি হওয়ার কারণে হয়ে থাকে।
আমাদের ক্ষুদ্রান্তে যে সকল শর্করা জাতীয় খাদ্য হজম হয় না তা মলাশয়ে এলে সেখানে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া কর্তৃক গাঁজিত হলে গ্যাস উৎপন্ন হয়
বেশী আঁশযুক্ত এবং স্বাস্থ্যকর খাবার যেগুলি হজম হওয়া বেশ কঠিন
আঁশযুক্ত খাবার পরিপাক তন্ত্রের জন্য ভাল মনে করা হয় এবং এটি বিষাক্ত দ্রব্যসমূহকে সরিয়ে দিয়ে, কোলেস্টেরল লেভেলকে নিয়ন্ত্রণ এবং তার সাথে রক্তের শর্করাকেও নিয়ন্ত্রণ করে পুষ্টি নালীকে ভাল অবস্থায় রাখে। যদিও, আঁশযুক্ত খাবার গ্যাস উৎপন্নের কারণ।
উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার যা গ্যাসের এবং গ্যাসের জন্য ব্যাথার কারণ সেগুলি হল শাকসবজি, ফল, শিম এবং মটর জাতীয় খাদ্য, সকল দানা শস্য এবং অন্যান্য আরও খাদ্য।
Psyllium জাতীয় উচ্চ আঁশযুক্ত সম্পূরক খাবার এধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে
এমনকি বিয়ার এবং সোডা জাতীয় কার্বনেটেড পানীয়ও গ্যাস উৎপন্নের কারণ হতে পারে
খাবারের প্রতি অসহনশীলতা গ্যাস উৎপন্নের কারণ হতে পারে
যখন কেহ irritable bowel syndrome বা ulcerative colitis এ ভোগে তখনও গ্যাস উৎপন্ন হতে পারে
খাবার খাওয়ার সময় যখন বেশী বাতাস গিলে ফেলা হয়
কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য যার কারণে পেট ফুলে যেতে পারে

উপসর্গ

প্রায় সকল মানুষের ক্ষেত্রেই উপসর্গ বা গ্যাসের কারণে ব্যাথার চিহ্ন একই রকমেরঃ
ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত গ্যাস নির্গমন
ঢেঁকুর তোলা বা গ্যাস নির্গত হওয়া
উদর এলাকায় তীব্র ব্যাথা
বুকে খোঁচা মারা ব্যাথা
পেটে ব্যাথা হতে পারে এবং ব্যাথার অবস্থান পেটের এক অংশ থেকে অন্য অংশে নড়াচড়া করতে পারে
পেট শক্ত বা ফুলে যেতে পারে
পেট ফাঁপার অনুভূতি বোধ
রুচির অভাব

যখন গ্যাসের ব্যাথা মারাত্মক না হয়, তখন সাধারণত অল্প সময়ের মধ্যেই নিজে নিজে তা বেরিয়ে যায়। কখনো কখনো গ্যাসের ব্যাথাকে হৃদরোগ, এপেন্ডিসাইটিস, পিত্তপাথর বা অন্য কোন অসুস্থতার কারণ বলে ভুল করা হয়। যখন দিনের মধ্যে বেশ কয়েকবার গ্যাস নির্গমন স্বাভাবিক ব্যাপার, সেটা পেটে কোনরূপ অস্বস্তির বা ব্যাথার কারণ হতে পারে না, যদি তা হয়ে থাকে তবে তা অস্বাভাবিক এবং এর সাথে কোন কারণ জড়িত।

বুকে গ্যাসের চাপ থেকে আরোগ্যের গৃহ চিকিৎসা

১. শুয়ে পড়ুন
যখন গ্যাসের কারণে বুকে ব্যাথা এবং অস্বস্তি হয় তখন আপনাকে যা করতে হবেঃ
মাথা উঁচুতে রেখে শুয়ে পড়ুন
অস্বস্তি দূর হওয়ার জন্য এই অবস্থানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন

২. প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন
প্রায়ই হজমের অসুবিধার কারণে গ্যাস তৈরি হয়ে থাকে।
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করলে এর সাথে হজম বিহীন খাদ্য সহজে সরে যেতে পারে
আঁশ সমৃদ্ধ খাবার যা সাধারণত পেটে গ্যাস তৈরির কারণ তা বেশী পরিমাণে পানি পান করলে সহজে হজম হয়
বেশী পরিমাণে পানি পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে এবং গ্যাসকে সহজে বেরিয়ে যেতে দেয়

৩. কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস থেকে দূরে থাকুন
কারও যদি পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকে তবে কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস পরিহার করা উচিত।
কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস গ্যাস তৈরির পরিমাণ বাড়াতে সহায়তা করে এবং অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়
এ ধরণের কোমল পানীয় বেশী গ্রহণ করলে গ্যাস বেড়ে যায় এবং এর চাপে বুকে ব্যাথা হয়
কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস সাধারণত ক্যলরিবিহীন থাকে, তাই বলা যায় এটা পান করলে অযথাই শরীরে শর্করা গ্রহণ করা হয়

৪. দেহ ভঙ্গি যা বুকে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয়
আপনি বিছানায় হাঁটু ভাঁজ করে পশ্চাতদেশ বাতাসে রেখে এবং মাথা নীচের দিকে রেখে থাকতে পারেন। এটা এমন একটা ভঙ্গি যাতে পেটের বাড়তি গ্যাস পরিপাকতন্ত্র থেকে সহজে বের হয়ে যেতে পারে।
শুয়ে পরে দুই পা পাকস্থলীর উপরে ভাঁজ করে চাপ দিন। একই সাথে, নিশ্বাস ছাড়ার সময় জোরে বাতাস বের করে দেয়ার চেষ্টা করা করুন
যখন এরূপ করবেন তখন একা থাকার চেষ্টা করুন
যখন পেট থেকে বাতাস বের করার চেষ্টা করা হবে তখন নিশ্চিত হতে হবে যেন পাকস্থলী খালি হয়ে যায়।

৫. বিছানায় শোয়ার ভঙ্গি
বেশ কিছু ভঙ্গি আছে যেভাবে ডাক্তারগন শোয়ার জন্য সুপারিশ করেন যাতে গ্যাস কম তৈরি হয় এবং পেটে বা বুকে গ্যাসের চাপ কম হয়। এ সকল ভঙ্গি গুলি বেশ সাধারণ হতে পারে কিন্তু তা অস্বস্থি কমাতে বেশ কার্যকর এবং রাতে ঘুমাতে সাহায্য করে যদি গ্যাসের কারণে অস্বস্থি বোধ হয়।
বাম পাশ ফিরে শুলে তা বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে
যদিও এটা খুব সহজ সমাধান, এটা অনেক ক্ষেত্রেই সুপারিশ করা হয় যেমন গর্ভাবস্থায় এবং colonoscopy করার সময় যদি গ্যাসের সমস্যা হয় তখন।

৬. সাধারণ কিছু রান্নার উপাদান
এশিয়ান রান্নাঘরে ব্যবহৃত হয় এমন অনেক সাধারণ উপাদান পেট থেকে গ্যাস নির্গমন কমাতে সহায়ক, যেমন সরিষা
বিভিন্ন রকম রান্নার উপাদান হিসাবে সরিষা ব্যবহার করা হয় যা পেটে গ্যাস তৈরিতে বাধা দেয়
এলাচ, জিরা এবং হলুদ জাতীয় এশিয়ান মসলার হজম ভাল হওয়ার উপকারি বৈশিষ্ট্য আছে। হালকা তরকারি রান্নার জন্য এ সকল মসলা ব্যবহার করা যেতে পারে যা পেটে গ্যাস হওয়া বা পেট ফাঁপা কমাতে পারে।

৭. গরম তরল পান করা
· এটা বলা হয় যে তরল গ্রহণ করলে পেটে গ্যাস কম তৈরি হয়
· যদি কেউ গরম পানি বা গরম পানীয় যেমন চা পান করে তবে তা পরিপাক নালী থেকে স্বাভাবিক ভাবে গ্যাসকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

৮. মেঝের উপর কিছু ভঙ্গি
পেট থেকে গ্যাস নির্গমন এবং এর উৎপাদন কমাতে বিশেষ কিছু উপকারি ভঙ্গি আছে যা কেউ অবলম্বন করলে বা নিয়মিত চর্চা করলে উপকার পেতে পারেন।
পিঠ মাটিতে ঠেকিয়ে শুয়ে পরুন। শ্বাস গ্রহণের সময় বাম পা ভাঁজ করে ধীরে ধীরে বুকের দিকে তুলুন।
পা হাত দিয়ে অন্তত ১০ সেকেন্ড বুকের দিকে চেপে ধরে রাখতে হবে।
এরকম করার সময়ে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখতে হবে
শ্বাস ছাড়ার সময় পা ছেড়ে দিতে হবে
অন্য পা দিয়েও ঠিক এমনটি করতে হবে।
এটা দেখা গেছে যে শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে তাল মিলিয়ে এরকম ভাবে নড়াচড়া করলে গ্যাস বেরিয়ে যায়।

৯. খাবার জন্য কিছু ফল
কিছু বিশেষ ফল আছে যেগুলি পরিপাকতন্ত্রকে উজ্জীবিত করে এবং গ্যাস তৈরিতে বাধাগ্রস্ত করে।
পেঁপে এমন একটি ফলের উদাহরণ যা পেট ফাঁপা কমাতে সাহায্য করে

১০. বিভিন্ন রকমের চা আছে যা পান করা যেতে পারে
পিপারমিন্ট চায়ের মত পানীয় স্বস্তি এনে দিতে পারে
আদা বা ক্যামোমিল দেয়া চা ও বেশ উপকারী
ভেষজ চায়ের গ্যাস নির্গত না হওয়ার গুণাগুণ আছে যা পাকস্থলীতে গ্যাস তৈরিতে বাধাগ্রস্ত করে

১১. হাঁটাচলা করা
অনেক সময় অপর্যাপ্ত পরিমাণে অঙ্গ সঞ্চালনের জন্য হজম শক্তি দুর্বল হয়ে যায় এবং এ কারণে পেটে গ্যাস তৈরি হয়ে থাকে।
সান্ধ্য ভ্রমণে বেরিয়ে বা সাধারণভাবে শারীরিক কার্যক্রম একটু বাড়িয়ে দিয়ে স্বস্তি পাওয়া যায়।

১২. শুয়ে করার মত কিছু কসরত
কিছু কসরত আছে যা কেউ বিছানায় শুয়ে করতে পারেঃ
শুয়ে শুয়ে বাতাসে পা তুলে সাইকেল চালনার মত কসরত করা যেতে পারে
দুই পা দিয়ে বাতাসে কাঁচি চালনার মত ভঙ্গি করা যেতে পারে
যোগ ব্যায়ামও পেটের গ্যাস বের হয়ে যেতে এবং পেট ফাঁপার অনুভুতি কমাতে সাহায্য করে।

১৩. চারকোল ক্যাপসুল
আপনার বাড়িতে যদি চারকোল ক্যাপসুল থাকে তবে তা খেলে পেট ফাঁপা কমতে সাহায্য হবে
এ ধরণের সম্পুরক কিছু খেলে পরিপাক তন্ত্র থেকে গ্যাস এবং দূষিত পদার্থ সমূহ দূর হয়ে যাবে।

১৪. বেকিং সোডা
বেকিং সোডা দেয়া এক কাপ গরম পানি করার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এটা গ্যাস নির্গত হওয়া কমাতে সাহায্য করতে পারে।

১৫. বিভিন্ন রূপে আদা খাওয়া
নিরাময়কারী গুণাগুণ আছে এমন একটি সুপরিচিত রান্নাঘরের উপাদান হল আদা। এটা বিভিন্ন রূপে খেয়ে উপকার পাওয়া যায়।
ছোট ছোট টুকরা করে খাওয়া যেতে পারে
চায়ের মধ্যে দিয়ে পান করা যেতে পারে
আদা দিয়ে তৈরি ট্যাবলেট খাওয়া যেতে পারে

১৬. শুন্যে বসার চেষ্টা করুন
শুন্যে বসার চেষ্টা করলে নিশ্চিতভাবে গ্যাস বের হবে এবং আপনার পরিপাকতন্ত্র থেকে জোরপূর্বক গ্যাস বের করে দিবে।
এ ধরণের কসরত পাকস্থলীর জন্য যেমন, তেমনি পায়ের জন্যও ভাল। এভাবে, শুধু আপনার পেটের পেশী সমূহ মজবুত হয় না, বরং পায়ের পেশী সমূহকেও শক্তিশালী করে এবং আপনি পেটের গ্যাস বের করে দিতে পারেন এবং গ্যাস নির্গত হওয়া থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

১৭. অ্যাপেল সিডার ভিনেগার
একটি উপকারী গৃহ চিকিৎসা হল দুই চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার খেয়ে নেয়া।
এটা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস নির্গমনের জন্য যে অস্বস্তি তা কমিয়ে দেয়।

১৮. দুধ জাতীয় খাদ্যপন্য পরিহার করুন
যদি আপনি পেট ফাঁপার মত অনুভূতি প্রায় সময়েই অনুভব করেন তবে তা খাদ্যে অসহনশীলতার একটি লক্ষণ।
অনেক ব্যাক্তিই বেশীরভাগ সময়ে gluten সমৃদ্ধ খাবার বা দুধজাত খাদ্যে তাদের অসহনশীলতার প্রতি সচেতন হন না।
কোন ধরণের খাবার আপনার দেহে পেট ফাঁপার মত অনুভূতি তৈরি করে তা বোঝার চেষ্টা করুন এবং তা পরিহার করুন।

আপনি কি বুকে প্রায়ই গ্যাসের চাপ অনুভব করেন? উপরে আলোচিত যেকোনো একটি গৃহ চিকিৎসা অবশ্যই আপনাকে স্বস্তি এনে দিতে পারে। আপনি কি পেট থেকে অস্বস্তিকর গ্যাস নির্গতের একটি নিরাপদ ও কার্যকর সমাধান চান? আপনি এ আলোচনায় অনেক সমাধান পাবেন।

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রোগের নাম স্কার্ভি
Previous Health Tips: রিঙ্কলসকে এবার বলুন বিদায়!

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')