home top banner

Health Tip

হার্ট এটাক প্রতিরোধে
31 August,13
  Viewed#:   427

সম্প্রতি দীর্ঘ ১৬ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা সকালে খাবার ঠিকভাবে না খেয়েই দিন শুরু করেন, তাদের হার্টএটাকওঅন্যান্যহৃদরোগেরঝুঁকিঅন্যদেরতুলনায়২৭শতাংশবেশি।এছাড়াওযারাধূমপানওঅন্যমাদকেআশক্তএবংকমশারীরিকপরিশ্রমকরেন, অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস রয়েছে, তারাও হৃদরোগের দিকেই ঝুঁকছেন।

সময় থাকতে আমরা যদি শরীর সম্পর্কে সতর্ক না হই, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে ভীতিকর হার্ট এটাকই বাস্তবতা হতে পারে।

দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ছোট ছোট কয়েকটি সহজ সতর্কতাই আমাদের  সুস্থ থাকতে এবং হার্ট এটাক প্রতিরোধ করতে  পারে: 

সকালের নাস্তা

দিনের শুরুর খাবারটি আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। সুস্থ থাকতে চাইলে কখনোই সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া যাবে না। একটি স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে দিন শুরু করলে আমাদের সারা দিনের কাজ করতেও এনার্জি পাবো। আর বাইরের জাঙ্ক ফুডের প্রতিও আমাদের আগ্রহ কম থাকবে এবং বাড়তি খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

পর্যাপ্ত ঘুম

সারাদিনের ব্যস্ততার পর পর্যাপ্ত ঘুম সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের সময় আমাদের হৃদস্পন্দন কমে যায় এবং হৃদয় পেশী কিছুটা বিরতি পায়। এজন্যই ভালো ঘুমের পর আমরা অনেক সতেজ আর কমর্ক্ষম অনুভব করি। যার ফলে রাতের ঘুম নিশ্চিত করুন, ক্লান্তি দূর করে ঝরঝরে থাকুন। 

ব্যস্ত থাকুন

সঠিক দৈহিক কার্যকলাপ আমাদের হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখে। ব্যস্ত থাকলে আমাদের শরীরে বাড়তি মেদ জমতে পারে না। ফলে শরীরের গড়নও থাকে কাঙ্ক্ষিত শেপে।

বন্ধু বা জীবন সঙ্গীকে নিয়ে দিনে শুধুমাত্র ৩০ মিনিট হাঁটুন। দেখবেন আপনি আগের চেয়ে অনেক হালকা এবং সুস্থ বোধ করছেন।

ডায়েট

সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের হৃদয় সুস্থ রাখার চাবিকাঠি। খাদ্য আমাদের শরীরের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। সুস্থ থাকতে এবং হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে খাদ্য তালিকায় নিয়মিত ফল ও সবজি রাখুন। আর তৈলাক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুন। 

সঠিক ওজন

বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী ওজন সঠিক মাত্রায় থাকতে হবে। আমরা অনেকেই এখন জিরো ফিগারের পেছনে ছুটছি, তবে অতিরিক্ত বেশি ওজন যেমন আমাদের সুস্থতার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতি কম ওজনের ঝুঁকিও কিন্তু কম নয়।

সঠিক পরিমাণে স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, মিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা প্রাকৃতিক ভাবেই সুস্থ থাকতে পারি। আর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারি ‍হার্ট এটাকের বিরুদ্ধে।


সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম 

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: চিকিৎসায় দূর হয় বন্ধ্যাত্ব
Previous Health Tips: ডাউন সিনড্রোমিক শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')