home top banner

Health Tip

ডাউন সিনড্রোমিক শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং
31 August,13
  Viewed#:   118

ডাউন সিনড্রোম এক ধরণের জেনেটিক্যাল ডিসঅর্ডার। এর কারণে অনেক শিশুই জন্মের পর থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হয়। কিন্তু এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদেরও রয়েছে মৌলিক চাহিদা। তাই তাদেরকে কোন কিছুতে দক্ষ করতে হলে তাদের জন্য নিতে হবে বিশেষ প্রস্তুতি। তাই আজকে হেলথপ্রায়র২১ আপনাদের জানার সুবিধার্থে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের টয়লেট ট্রেনিঙের ব্যাপারে কিছু টিপস তুলে ধরছে- 

১) আপনার শিশু কোন ধরণের কাজের জন্য প্রস্তুত তা আগে জানতে হবে 
সব বাবা মাই একটি নির্দিষ্ট বয়স থেকে শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং দেয়া শুরু করেন। তবে ডাউন সিনড্রোমিক শিশুরা অন্য শিশুদের মত বয়স অনুযায়ী সঠিকভাবে সাড়া নাও দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় বাবা মা রা এই ধরণের শিশুদের বয়সের পূর্ণতা আসার পূর্বেই টয়লেট ট্রেনিঙের জন্য উঠে পড়ে লাগেন। তাই আগে বুঝতে হবে আপনার শিশুটি আপনার দেয়া শিক্ষা বা ট্রেনিং কতটা ধরতে পারছে এবং সেই অনুযায়ী সাড়া দিতে পারছে। বেশি আগেভাগে শিশুকে ট্রেনিং দিতে গেলে লাভের বদলে ক্ষতিই হয় বেশি। এই ধরণের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরা অতিরিক্ত চাপের মুখে অবাঞ্ছিত ব্যবহার করে বসে। তাই আগে শিশুকে কোন ট্রেনিং নেয়ার উপযোগী করে তারপর তার টয়লেট ট্রেনিং শুরু করতে হবে। নিম্নে আপনার ট্রেনিং সহজ করার জন্য কিছু গাইডলাইন দেয়া হল-   

বয়স – বয়স যদিও একটি বর বিষয় কিন্তু কেবল এটার উপরই ভিত্তি করে আপনার শিশুর ট্রেনিং শুরু করবেন না। বিশেষ শিশুদের টয়লেট ট্রেনিং কমপক্ষে ২ থেকে তিন বছর হওয়ার পর শুরু করা উচিত। 

ব্লাডার কন্ট্রোল- যখন আপনার শিশু একবার মূত্র ত্যাগের পর কমপক্ষে ১ থেকে দেড় ঘন্টার বিরতি দেয়া শুরু করে।

শিশুর পায়খানার সময় – যখন আপনার শিশুর পায়খানা প্রতিদিন মোটামুটি একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মাঝে চলে আসে।

মোটর স্কিল- যখন আপনার শিশু নিজে নিজে হাঁটতে পারবে এবং নিজেই কোন বস্তু হাত দিয়ে ধরতে পারে।

ব্যবহার – যখন আপনার শিশু নিজের মত করে পটি চেয়ারে এবং টয়লেটে ২ থেকে ৫ মিনিটের মত সময় বসে থাকে।

আদেশ মান্য করা- যখন আপনার শিশু মোটামুটিভাবে আপনার কথা শোনা শুরু করে। 

নিজের চাহিদা ব্যক্ত করা – আপনার শিশু নিজেই নিজের চাহিদা ব্যক্ত করতে শেখে। চেহারা এক্সপ্রেশান, হাত দিয়ে, চলা ফেরা, ছবি অথবা কথার মাধ্যমে সে যদি তার চাহিদা ব্যক্ত করে। 

২) আপনার প্রস্তুতি
শিশুর ট্রেনিং শুরুর আগে বাব মাকে প্রস্তুত হতে হবে। বাবামাদের মাথায় রাখতে হবে এই সকল ক্ষেত্রে অনেক ধৈর্য এবং সময়ের প্রয়োজন। হতাশ হলে চলবে না। চেষ্টার পর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শিশুকে প্রতি ৩০ থেকে ৬০ মিনিট অন্তর অন্তর মূত্র ত্যাগের জন্য প্ররোচিত করতে হবে। ট্রেনিং শুরুর থেকে ২ সপ্তাহের জন্য একটি চার্ট রেডি করে তাতে শিশুর পর পর ২ বার মূত্র ত্যাগের মধ্যবর্তী সময় মার্ক করে রাখুন। এতে আপনার শিশুর উন্নতি বুঝতে সুবিধা হবে। 

৩) গেট সেট, গো
এই ধাপে আপনাকে হাতে কলমে মাঠে নামতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে পুরো পদ্ধতি তুলে ধরা হল 
১. প্রতিদিন সকালে উঠে শিশুর ডায়পার পাল্টান। বাথরুমে নিয়ে শিশুকে উপযোগী আন্ডারওয়ার পরান।
২. যখন আপনি মনে করবেন আপনার শিশু প্রস্রাব বা মল ত্যাগ করতে পারে তখন তাকে বাথরুমে নিয়ে যান।
৩. শিশুকে আনন্দ দেয়ার জন্য তার হাতে কোন খেলনা বা তার কোন প্রিয় বই হাতে দিন।
৪. আপনার কথা এবং নির্দেশ শোনার জন্য শিশুকে কোন খেলনা বা ছবি দেখিয়ে তাকে আপনার দিকে আকৃষ্ট করুন।
৫. আকৃষ্ট করার জন্য বই, খেলনা অথবা ক্যান্ডি দেখান।
৬. সময়ে সময়ে আকৃষ্ট করার বস্তু পরিবর্তন করুন। 

Source – parents.com
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: হার্ট এটাক প্রতিরোধে
Previous Health Tips: জেনে রাখা ভালো

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')