কোলেস্টেরল কমায় এমন ১০টি খাবার পর্ব-১
২৪ অগাস্ট, ১৩
বিষয়টি বাংলাতে পড়ুন
Viewed#: 828
কোলেস্টেরল মানেই খারাপ কিছু - যা গ্রাহ্য না করে উপায় নেই। অথচ আমাদের শরীরেই তৈরী হয় এইচডিএল যাকে আমরা উপকারী বা ভাল কোলেস্টেরল হিসাবে জানি। এই কোলেস্টেরল তৈরী হয় একধরনের মোমজাতীয় পদার্থ দিয়ে যা রক্ত ভেসে বেড়ায়, কিছু কিছু হরমোন এবং ভিটামিন ‘ডি’ তৈরীতে সহায়তা করে; পরিশেষে ধমনীতে রক্ত চলাচলের পথকে সুগম রাখে।
আর অনিরাপদ খাদ্যের কারনে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা বেড়ে যায়। যখন এর মাত্রা খুব বেশি বেড়ে যায় তখন ধমনীর গাত্রে লেগে যায়। আস্তে আস্তে প্লাক জমে গিয়ে ধমনীর নালীকে সরু করে ফেলে। ফলস্বরুপ হৃদরোগে আক্রান্ত হয় মানুষ।
সুতরাং এটা খুবই গুরুত্বপূর্ন যে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে আমাদেরকে অবশ্যই খাবারের প্রতি নজর দিতে হবে। সেই সাথে মুটিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে হবে এবং টোটাল কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে।
যেসব খাদ্য বা খাদ্য উপাদান ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে সেরকম ১০টি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলঃ
১। মাছ
তেল বা চর্বিযুক্ত মাছ যেমন স্যামন, টুনা, সারডিন ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছে স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকায় এসব মাছ ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। সেই সাথে ট্রাইগ্লিসারাইড বা আনস্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট এর মাত্রাও কমায়।
২। অলিভ অয়েল
মন্দ ফ্যাট থেকে গুড ফ্যাটে অদলবদল করতে সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে এক চামচ অলিভ অয়েল। অলিভ অয়েল এইচডিএল এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে। আর সেই সাথে কোমরকে ফিটফাট রাখতে সাহায্য করে।
৩। শীম-মটরশুঁটি
সকল প্রকার শীম জাতীয় খাদ্যই হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে ব্যাপক আঁশের উপস্থিতির ফলে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমে। বার বার ক্ষুধার উদ্রেক কমায়। আরিজোনা স্টেট ইউনিভারসিটি কর্তৃক পরিচালিত ২০০৮ সালের এক গবেষনায় দেখা যায় যারা ২৪ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন আধা কাপ পরিমান শীম জাতীয় খাবার খেয়েছেন তাদের রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা প্রায় শতকরা ৮ ভাগ কমে গেছে।