home top banner

Health Tip

মুখের মেদ কমানোর এক্সারসাইজ
13 July,13
  Viewed#:   749

একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন, অনেকরই শরীরে মেদ বাড়লেই সবার আগে মুখেই তার প্রভাব পড়তে শুরু করে। ফলে মুখ ভারী দেখায়, গাল ফুলে যায়, বিশেষত থুতনির কাছে মেদ জমে যায়। এই সমস্যা মেকাপ দিয়েও সমাধান করা যায় না। মুখ থেকে মেদ কমাবার সহজ এবং নিরাপদ ও সম্ভবত একমাত্র উপায় হচ্ছে এক্সারসাইজ।

কোন ধরনের এক্সারসাইজ ?

অ্যারোবিক বা যোগাভ্যাসের অভ্যাস থাকলে তাতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন নাই। মুখের মেদ কমানোর জন্য শরীরে মেদ বা ফ্যাট কমানোর পাশা পাশি নিয়মিত এক্সারসাইজের  সাথে মুখের জন্য আলাদা করে কিছু এক্সারসাইজ করলে ফলাফলটা একটু জলদি পেতে পারেন।

টিপস-এক

চোখ দুটি বন্ধ করে, চোখের পাতার উপর আঙ্গুল রাখুন। এবার চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর চেষ্টা করুন এবং একই সঙ্গে ভুরু উপরে তোলার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করলে আপনার কপালটি টোনড হবে। অনেকের মুখে মেদ জমলে চোখের তলাতেও মেদ জমে। আর তাই চোখের মেদ কমাতে চোখ দুটি বন্ধ করে রিলেক্স করুন। এবার চোখ দুটি বন্ধ অবস্থায় চোখের মনি উপরে তুলুন এবং নীচে নামান। প্রতিদিন ১০ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন। এরপর চোখ বন্ধ অবস্থায় যতটা সম্ভব ভুরু উপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। এক্সারসাইজটি করার সময় চোখ খোলা যাবে না। তারপর ১০ মিনিট রিলেক্স করুন। প্রতিদিন ১০ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন।

টিপস-দুই

মুখের মধ্যে আঙ্গুল ঢুকিয়ে যতটা সম্ভব জোরে চুষুন এবং ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন, অতঃপর আঙ্গুল বের করে নিন। প্রতিদিন ১০ বার নিয়মিত এই এক্সারসাইজ করলে গালের ফোলাভাব অনেকটাই কমে যাবে এবং মুখের ভারী ভাবটাও কমে যাবে।

টিপস-তিন

আস্তে আস্তে আপনার মাথাটি পেছনের দিকে হেলাতে থাকুন, যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি আপনার ঘাড়ে চাপ অনুভব না করছেন। এবার আপনি আপনার চোয়ালটি একবার ডান হতে বাম দিকে, আরেকবার বাম হতে ডান দিকে নড়ানোর চেষ্টা করুন এবং এটি ৫ বার করা হলে আস্তে আস্তে রিলেক্স করুন। এই এক্সারসাইজটি আপনি দিনে ৫ বার করলে আপনার ঘাড় এবং গলার মাসল টোন হবে।

টিপস-চার

 হা করন। যতটা সম্ভব আপনার মুখ খোলার চেষ্টা করুন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনি গালে, ঠোঁটে এবং থুতনিতে চাপ অনুভব না করছেন। এরপর ১০ পর্যন্ত গুনতে থাকুন এবং রিলেক্স করুন। প্রতিদিন ৫ মিনিট এই এক্সারসাইজটি করুন।  এতে করে মুখের মাসল টোন হবে, রক্ত সঞ্চালন বাড়াবে  এবং অতিরিক্ত মেদ কমাবে।

লিখেছেনঃ ফারহানা

সাজগোজ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: 8 ways to combat mosquitoes naturally
Previous Health Tips: জল, রোদ আর আপনার সন্তান

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')