home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

প্রাণঘাতী রোগ থ্যালাসেমিয়ায় করনীয়
২০ জুলাই, ১৪
Tagged In:  Prevention of thalassemia  disease thalassemia  
  Viewed#:   90

disease-thalassaemia

থ্যালাসেমিয়া একটি মারাত্মক বংশগত রোগ। এটি সাধারণত বাবা মায়ের জীনের ত্রুটির কারণে সন্তানদের মধ্যে হয়ে থাকে। যদি বাবা মায়ের জীনে থ্যালাসেমিয়ার বাহক থাকে তবে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হওয়ার আশংকা থাকে অনেক বেশি। যাদের থ্যালাসেমিয়া রোগটি খুব অল্প পর্যায়ের হয়ে থাকে তাদেরকে এই রোগের বাহক ধরা হয়। থ্যালাসেমিয়ার বাহকদের কোনো সমস্যা না হলেও দুজন থ্যালাসেমিয়ার বাহকের বিয়ে হলে তাদের সন্তানকে এই ভয়াবহ রোগটি নিয়ে জন্মাতে দেখা যায়। এই রোগে দেহে রক্ত উৎপন্ন হয় না। এবং রোগীকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে আজীবন শরীরে রক্ত দিয়ে যেতে হয়।


থ্যালাসেমিয়া রোগে করণীয়
থ্যালাসেমিয়া রোগটি দুই পর্যায়ের হতে পারে প্রাথমিক এবং মাঝারি থেকে মারাত্মক। দুই পর্যায়ের থ্যালাসেমিয়ার জন্য আলাদা ধরণের চিকিৎসা রয়েছে। তবে রোগটি পুরোপুরি নিরাময় যোগ্য নয়।

প্রাথমিক থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রেঃ প্রাথমিক থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ ও উপসর্গ খুবই কম থাকে। এবং প্রাথমিক থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে খুবই অল্প চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ব্যতিক্রম কিছু ঘটলে যেমন-কোন বড় অপারেশন করা হলে কিংবা গর্ভবতী মা সন্তান প্রসবের পর অথবা অন্য কোনো কারণে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন পরতে পারে।

মাঝারি থেকে মারাত্মক থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রেঃ মাঝারি এবং মারাত্মক পর্যায়ের থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের পর্যায় অনুসারে বছরে বেশ কয়েকবার রোগীকে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। রোগটি একেবারে মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন করার প্রয়োজন হতে পারে। এবং এর সাথে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ঔষধ চালিয়ে যেতে হবে।

সতর্কতা
থ্যালাসেমিয়ার রোগীকে সুস্থভাবে বাঁচিয়ে রাখতে রোগের পর্যায় অনুযায়ী বছরে ৮ থেকে ১০ বার রক্ত দিয়ে যেতে হয়। এতে করে প্রতি ব্যাগ রক্তের সঙ্গে শরীরে জমা হয় বাড়তি আয়রন। এই অতিরিক্ত আয়রন লিভার ও প্যানক্রিয়াসে গিয়ে জমা হতে থাকে। এই দুটি অংশে ইনসুলিন উৎপন্ন হয়। আয়রন জমা হওয়ার ফলে লিভার সিরোসিস ও ডায়বেটিস রোগের সম্ভাবনা দেখা দেয়। সুতরাং ডাক্তারের কোনো প্রকার নির্দেশনা ছাড়া আয়রণযুক্ত ঔষধ, ভিটামিন বা অন্যকোন ঔষধ খাওয়া যাবে না। এবং রোগীকে সব সময় সুষম ও পুষ্টিকর খাবার বিশেষ করে ক্যালসিয়াম, জিংক, ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। যাতে অন্য কোন জীবানু দ্বারা আক্রান্ত না হতে পারেন সেজন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বিয়ের ব্যাপারে সতর্কতা
বিয়ের আগে অনেক সতর্কতা অবলম্বন করার প্রয়োজন রয়েছে। আপনি নিজে যদি একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক হাকেন তবে অবশ্যই বিয়ে আগে হবু সঙ্গী থ্যালাসেমিয়া বাহক কিনা তা পরীক্ষা করিয়ে নিন। কারণ দুজনেই বাহক হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। যদি দুজনের মাত্র একজন থ্যালাসেমিয়ার বাহক হয়ে থাকেন তবে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

সূত্র - প্রিয়.কম 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সুখি জীবনের কারণ হতে পারে বিশেষ জিন
Previous Health Tips: ফুসফুসে পানি জমা

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')