home top banner

Health Tip

হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমান!
08 April,14
Tagged In:  heat stroke  stroke attack  
  Viewed#:   79

heat-strokeহিটস্ট্রোক হচ্ছে শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট এক ধরনের জটিলতা। আমরা জানি মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। কোনও কারণে যদি তা ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর চলে যায়, তাহলে হিটস্ট্রোক হতে পারে।


হিটস্ট্রোক কেন হয়?
আমরা জানি, বিপাক ক্রিয়ার ফলে আমাদের শরীরে তাপ উত্পন্ন হয়। ঘামের মাধ্যমে শরীর অতিরিক্ত তাপ বের করে দেওয়ার কাজটি করে থাকে। কিন্তু অত্যধিক গরম ও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে এ তাপ বের করে দেওয়ার কাজটি যখন সম্ভব হয় না, তখনই হিটস্ট্রোকের আশঙ্কা দেখা দেয়।

হিটস্ট্রোকের আরেকটি কারণ হল ডিহাইড্রেশন। একজন ডিহাইড্রেটেড ব্যক্তি ঘামের মাধ্যমে দ্রুত তাপ বের করে দিতে সক্ষম হন না। ফলে শরীরের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়ে হিটস্ট্রোক হতে পারে।

যাদের হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি
শিশু (শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করার সিস্টেম ঠিকভাবে ডেভেলপ না হওয়ার কারণে), বৃদ্ধ (শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ করার সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে), অ্যাথলেট ও প্রচণ্ড রোদে যারা বাইরে কাজ করেন (দিনমজুর)—এই ৪ শ্রেণী হিটস্ট্রোকের জন্য সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

লক্ষণ
দেহের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া, ঘামের অনুপস্থিতি, চামড়া খসখসে ও লাল হয়ে যাওয়া, পালস বেড়ে যাওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট, ব্যবহারের অসংলগ্নতা, হ্যালুসিনেশন, কনফিউশন, খিটখিটে মেজাজ, মাথা ঝিমঝিম করা, বমি করা, অবসাদ, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, মাংসপেশির খিঁচুনি, চোখে ঝাপসা দেখা, কোমায় চলে যাওয়া।

আক্রান্ত ব্যক্তির শুশ্রুষা 
প্রথম ও প্রধান করণীয় হবে আক্রান্ত ব্যক্তির তাপমাত্রা কমিয়ে আনার ব্যবস্থা করা। এ জন্য হিটস্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে ছায়াযুক্ত একটি জায়গায় নিয়ে আসুন, গায়ের ভারী কাপড় খুলে দিন ও ঠাণ্ডা বা বরফ পানি দিয়ে গা মুছে দিন। তাকে ফ্যানের নিচে বা এসিরুমে নিয়ে আসুন। সম্ভব হলে তার বগল ও রানের খাঁজে আইসপ্যাক দিন।

যদি আক্রান্ত লোকটি পানি খাওয়ার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে ঠাণ্ডা পানি বা পানীয় পান করতে দিন।

একটি থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মেপে দেখুন এবং ১০১-১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে না আসা পর্যন্ত তাকে ঠাণ্ডা করা চালিয়ে যান। হিটস্ট্রোক হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্থানীয় হাসপাতালে নিতে হবে। 

মনে রাখবেন, হিটস্ট্রোক একপ্রকার মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি— যেখানে সঙ্গে-সঙ্গে রোগীকে যথাযথ চিকিত্সা না দেয়া হলে রোগী মৃত্যুবরণ করতে পারে।

সূত্র - দৈনিক আমাদের সময়

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ৪০ এর পরও "ফিট" থাকার ৬ টি হিট টিপস
Previous Health Tips: গরমে ঠাণ্ডা থাকার ১০ উপায়

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')