home top banner

Health Tip

আদার চা পানের আটটি সুফল
03 March,14
Tagged In:  ginger tea  tea effect  
  Viewed#:   292

ginger-tea-benefitsবাঙালির প্রাত্যহিক জীবনে আদা একটি অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। প্রায় সব রান্নাতেই আমরা কম-বেশি আদা ব্যবহার করি। আর সাধারণ সর্দি-কাশি, ঠান্ডায় ঘরোয়া চিকিত্সা হিসেবে আদার ব্যবহার সুপ্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে।

আদার রস মিশ্রিত রং চা আমরা অনেকেই পান করি। কিন্তু এর গুণাগুণ জানি কজনে? গতকাল শনিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে আদার চা পানের আটটি সুফল উল্লেখ করা হয়েছে।

বিতৃষ্ণা ও বমি ভাব দূর করে
কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে এ কাপ আদা চা পান করে নিতে পারেন। এতে করে যাত্রার গতির ফলে শরীরে যে বিবমিষা ও বমি বমি ভাব তৈরি হয়, তা দূর হবে।

পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা বাড়ায়
আদা চা খাবার হজম করে পাকস্থলীর পরিপাক-প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়তা করে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেয়ে পেট ফুলিয়ে ফেলেছেন? চিন্তা নেই। চটপট এক কাপ আদা চা পান করুন। স্বস্তি পাবেন।

শরীরের প্রদাহ কমায়
আদাতে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়ামসহ মানবদেহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেকগুলো খনিজ উপাদান উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এগুলো একই সঙ্গে ব্যথানাশক হিসেবেও কাজ করে। তাই পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা কমানোর জন্য এটি একটি উত্কৃষ্ট ঘরোয়া উপাদান। আদার চা পানের পাশাপাশি ব্যথা কমাতে এটি জয়েন্টে লাগাতেও পারেন।

শ্বাসতন্ত্রের রোগ মোকাবিলা করে
সাধারণ ঠান্ডা, সর্দি-কাশি নিরাময়ে আদা যে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে তা কম বেশি সবারই জানা। অ্যালার্জিজনিত কারণে শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা বোধ করলে, আদার চা পানে সুফল পেতে পারেন।

রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হূত্যন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।

ঋতুচক্রের ফলে সৃষ্ট প্রদাহ লাঘব করে
যেসব নারী ঋতুচক্রের সময় শারীরিক যন্ত্রণায় ভোগেন, আদা তাঁদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। আদা মিশ্রিত গরম চায়ে তোয়ালে ভিজিয়ে নিংড়ে নিন। এরপর তলপেটে সেঁকা দিন। এটি আপনার ব্যথা কমাবে এবং আপনার মাংসপেশিকে আরাম দেবে। এর পাশাপাশি মধু মিশিয়ে এক কাপ আদা চা পান করলে আরও ভালো ফল পাবেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আদাতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। তাই এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ কমায়
আদার তীব্র নির্যাস মানসিক চাপ ও উত্তেজনা হ্রাস করতে সহায়তা করে।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় প্রতিদিন টক দই
Previous Health Tips: বেশি খেয়ে ওজন কমান!

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')