home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ওজন বেড়ে যাওয়ার পেছনে কিছুনা অজানা কারণ
২৮ জুলাই, ১৩
View in English

আমরা সবাই কম বেশি ওজন বেড়ে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ সম্বন্ধে সচেতন। অসচেতন জীবনযাপন, চিনিযুক্ত পানীয়, ভাজি খাবার,

অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় এবং জেনেটিক্যাল বিভিন্ন কারণ ওজন বেড়ে যাওয়ার পেছনে কাজ করে। এসবের পাশাপাশি আজ আমরা নানা

পত্র-পত্রিকা, ওয়েব সাইট ঘেঁটেও ওজন নিয়ন্ত্রনে আনার নানান নতুন নতুন তথ্য জানছি।

কিন্তুঅনেক সময় আশেপাশের কিছুমানুষের দিকে তাকালে মনে হয় ওজন সম্বন্ধে এসব টিপস তাদের ক্ষেত্রে মোটেই খাটে না। হয়ত

আপনারই কোন বন্ধুকত রকম চিনিযুক্ত খাবার, বিরিয়ানি মশলাযুক্ত খাবার খাচ্ছে কিন্তু সে মোটা হচ্ছে না। অথচ আপনি এত

নিয়ন্ত্রণ করেও ওজন কমাতে পারছেন না বরঞ্চ মনে হয় ওজন দিনদিন বাড়ছেই।

আপনার এই সংশয়ই দূর করতে হেলথপ্রায়র২১ এনেছে ওজন বেড়ে যাওয়ার কিছুনা জানা কারণ -

ক্লান্তি এবং হতাশা

আপনি কি জানেন হতাশা ওজন বেড়ে যাওয়ার একটি অন্যতম কারণ। অনেক মানুষ হতাশা দূর করতে খাওয়া দাওয়াকে একটি পন্থা হিসেবে বেছে

নেয়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে, যখন মানুষ শারীরিক বা মানসিকভাবে আহত হয় তখন তার দেহে ক্লান্তি কারণে এক ধরণের হরমোন নিঃসৃত

হয়- এর নাম করটিসল। করটিসলের কারণে মানুষের খাবারের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে মানুষ হতাশ হলে ওজন বেড়ে যায়।

হতাশাকে কখনও অগ্রাহ্য করবেন না। সবসময় খেয়াল রাখুন কি কি কারণে আপনার অতিরিক্ত ক্লান্তি এবং হতাশা আসছে। বেশি ক্লান্তি

এবং হতাশা থেকে মানুষের "কুশিং সিনড্রোম " নামক রোগ হতে পারে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ সমাধান হতে পারে দূরে

কোথাও ছুটি কাটিয়ে আসা। শরীর এবং মনকে চাঙা করে তোলা।

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তা শরীরের ক্লান্তি বাড়িয়ে দেয়। উপরে বর্ণিত পদ্ধতির মতই ক্লান্তি শরীরের মেদ বাড়িয়ে দেয়। আবার যাদের

ইনসমনিয়া আছে তারা রাতের সময় পার করতে নানা রকম স্ন্যাক্স জাতীয় খাবার খান, এতেও ওজন বেড়ে যেতে পারে।

অনেক ওষুধ হঠাৎ ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে এর পার্শ্-প্রতিক্রিয়া হিসেবে। হতাশা দূর করার বিভিন্ন অ্যান্টি ডিপ্রেসেন্ট ওষুধের একটি

অন্যতম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হল ওজন বেড়ে যাওয়া। এই সকল ওষুধের কারণে খাবারের চাহিদা বেড়ে যায় এবং মানুষ হঠাৎ করে মোটা হয়ে

যায়। আপনার ওষুধ সম্বন্ধে কোন সন্দেহ থাকলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

স্টেরয়েডের ব্যবহার

স্টেরয়েড ওজন বেড়ে যাওয়ার একটি অন্যতম কারণ। স্টেরয়েডের গ্রহণ করার ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায়। তবে স্টেরয়েডের কারণে ওজন

বাড়ার পরিমাণ নির্ভর করে ওষুধ গ্রহণের পরিমাণ এবং ডোজের উপর।

অ্যাজমা, আরথ্রাইটিস, লুপাস ইত্যাদি রোগের জন্য স্টেরয়েড গ্রহণের ফলে "কুশিং সিনড্রোম " হতে পারে - এই রোগে মানুষের দেহে

করটিসল হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং মানুষের খাওয়ার চাহিদাও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়।

শারীরিক অসুস্থতা

পূর্বের শারীরিক অসুস্থতা থেকেও ওজন বেড়ে যেতে পারে। ডায়াবেটিস পেশেন্টদের অনেক সময় ওজন বাড়তে পারে। ডায়াবেটিস হলে যে

ইনসুলিন গ্রহণ করা হয় তা শরীরে কিছু সুগার তৈরি করে যা ফ্যাটে পরিনত হয়ে দ্রুত ওজন বাড়ায়।

হাইপোথায়রোডিজম ও ওজন বাড়ার একটি কারণ। এই রোগে শরীরে পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি হয় না ফলে শরীরের

মেটাবোলিজমের হার গড়ে কমে আসে। তাই ক্যালরি বার্ন হয় না দেখে ওজন বেড়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।

প্ল্যান্টার ফ্যাসাইটিস থেকেও ওজন বাড়তে পারে। এই শারীরিক অসুস্থতা গুলি ওজন বাড়ানোর প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। তাই ডাক্তারের

সাথে পরামর্শ করে জেনে নিন এমতাবস্থায় ওজন নিয়ন্ত্রনের ব্যাপারে। 

হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স

হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স বিভিন্ন ওষুধ গ্রহণের, পোস্ট ন্যাটাল ডিপ্রেশান, মেনোপোজ ইত্যাদি কারনে হতে পারে।

মেনোপোজের পর মহিলাদের শরীরে পর্যাপ্ত ইস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসৃত হয়না। তাই তাদের শরীরের অ্যাবডোমেনের

চারপাশে ফ্যাট জমে যায়। "পলিভিস্টিক ওভারি সিনড্রম" - এটি সাধারণত মহিলাদের সন্তান ধারন করার সময়টায় হয়ে থাকে।

এই সময়েও মহিলাদের শরীরে ওজন বেড়ে যায়।

অতিরিক্ত ওজন বেড়ে গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হরমোন থেরাপি নিতে পারেন।

পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব

অপর্যাপ্ত ভিটামিন ডি, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম শরীরের মেটাবোলিজমের হার কমিয়ে দিতে পারে। এসব উপাদানের অভাব শরীরের চালিকা

শক্তিও কমিয়ে দেয়। শক্তির অভাবে মানুষ কম পরিশ্রম করে এবং তাড়াতাড়ি শক্তি সঞ্চয় করতে চিনিযুক্ত খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

ফলে দ্রুত ওজন বেড়ে যায়।

Source: My Health Tips

Courtesy: HealthPrior21

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Histrionic Personality Disorder
Previous Health Tips: ইফতারে ভাজাপোড়া ও সেহরিতে চা পান ঠিক ন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

জেনে রাখা ভালো

হেপাটাইটিস বা যকৃতের প্রদাহ যে কোনো একটি হেপাটাইটিস ভাইরাস দ্বারা হতে পারে। যেমন- Hepatitis A, B, C ভাইরাস। এছাড়া Delta Virus I Cytomegalo Virus ইত্যাদি। কোনো কারণে লিভার বা যকৃতেরপ্রদাহের ফলে ক্রিয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে তাকে যকৃৎ প্রদাহ বলে। সাধারণতভাইরাসের আক্রমণজনিত কারণেই হেপাটাইটিস বেশি... আরও দেখুন

জরায়ুমুখ ক্যানসার: আগেভাগেই ঠেকানো সম্ভব

জরায়ুমুখ ক্যানসার বিশ্বব্যাপী নারী-মৃত্যুর অন্যতম কারণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশেও প্রতিবছর প্রায় ১৮ হাজার নারী নতুন করে জরায়ুমুখ ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রতিবছর প্রায় ১২ হাজার নারী এই ক্যানসারে মারা যান। জরায়ুমুখে মরণব্যাধি ক্যানসার কারও শরীরে বাসা বাঁধছে কি না, তা বের করা সম্ভব... আরও দেখুন

শিশুর সুস্থতায় ঘুম

বয়স ভেদে ঘুমের সময় ও ক্ষণ আলাদা, যা মেনে চললে ঘুম নিয়ে অহেতুক উৎকণ্ঠার অবসান হবে। তিন মাস বয়স পর্যন্ত শিশুরা দিনে ১৬-২০ ঘণ্টা ঘুমাবে। এর মধ্যে তিন-চার ঘণ্টা ঘুমের ফাঁকে এক-দুই ঘণ্টা জেগে থাকবে। এক্ষেত্রে দিন ও রাতে ঘুমের কোনো তফাৎ থাকে না। তিন মাস থেকে এক বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা গড়ে ১৩-১৫ ঘণ্টা... আরও দেখুন

তেজপাতা

তেজপাতা সুগন্ধি মসলা। কাঁচা পাতার রং সবুজ আর শুকনো পাতার রং বাদামি। এটি শুধু মসলা হিসেবেই পরিচিত নয়, এর অনেক ঔষধি গুণও আছে। উপকারিতা *পানিতে তেজপাতা দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের অ্যালার্জি সমস্যা কমবে। *৭ গ্রাম তেজপাতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করে নিন। এরপর ওই পানি... আরও দেখুন

ঝকঝকে দাঁত ঝলমলে হাসি

শিশুর বয়স ছয় মাস পেরোলেই, দাঁতহীন মাড়ি দিয়ে সে সবকিছু কামড়ে দিতে চায়।আচরণেই বোঝা যায়, শিশুর নতুন দাঁত উঠছে। দাঁত নিচের মাড়িতেই সাধারণত প্রথমদেখা যায়। শিশুর মুখে প্রথম দাঁত ওঠার সময় ছয় মাস বলা হলেও ঠিক ওই সময়েযে দাঁত দেখা যাবে এমনটা কিন্তু না-ও হতে পারে। যখন শিশুর বয়স দুই থেকেআড়াই বছর হবে তখন... আরও দেখুন

More evidence: Vitamin C does protect against colds

(Healthprior21.com)) By the time he died in 1994, Linus Pauling had long been branded a "quack" by mainstream medicine and much of the mainstream media. Why? Because he advocated the use of vitamin C to treat many diseases, including the common cold. He claimed the medical ... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')