শিশুদের চোখে চশমা দেখে অনেকেই বিস্মিত হন—এত কম বয়সে চোখ খারাপ! তবে এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। চোখের আকৃতি স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হলে দূরে দেখতে অসুবিধা হয় এবং মাইনাস পাওয়ারের লেন্স বা চশমা দিয়ে স্বাভাবিক দেখা সম্ভব। আর চোখের আকৃতি ছোট হলে প্লাস পাওয়ারের প্রয়োজন হতে পারে।
লক্ষ করুন, শিশুটি টিভি দেখার সময় একেবারে স্ক্রিনের কাছে চলে যাচ্ছে কি না, শ্রেণীকক্ষে দূরে বসে বোর্ড ঠিকমতো দেখতে পাচ্ছে কি না। অনেক সময় শিশু বোর্ডের লেখা তাদের খাতায় তোলে না। কেউ কেউ লেখাপড়া বা টিভি দেখার সময় মাথাব্যথার কথাও বলে। এসব লক্ষণ থাকলে এবং চোখের আকৃতির কোনো তারতম্য দেখা গেলে একজন চক্ষুবিশেষজ্ঞের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা উচিত। যেসব শিশুর মা-বাবা চশমা ব্যবহার করেন, তাদেরও ভবিষ্যতে বংশগত কারণে চশমা লাগতে পারে। স্কুলে ভর্তির সময় একবার চোখ পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো।
অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা আছে যে চশমা দিলে দিনে দিনে দৃষ্টিশক্তি আরও কমে যায়। আসলে দৃষ্টিশক্তি বয়সের কারণে এবং বংশগত কারণে কমতেই পারে। তবে সঠিক সময়ে চশমা ব্যবহার করলে শিশুটি ভবিষ্যতে স্বাভাবিক দেখবে, রেটিনার উন্নতি হবে। আর প্রয়োজন সত্ত্বেও চশমা ব্যবহার না করলে মাথাব্যথা, চোখে ব্যথা, চোখের অস্বস্তি বাড়বে।
Source: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-15/news/336597

