home top banner

খবর

মুরগি ও মাছের বিষাক্ত খাবার উৎপাদনকারী কারখানা উচ্ছেদ
১৯ অগাস্ট, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   35

মুরগি ও মাছের বিষাক্ত খাবার উৎপাদন করায় হাজারীবাগ এলাকার ৫টি কারখানা উচ্ছেদ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

রোববার হাজারীবাগ এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট এক অভিযান চালিয়ে বিষাক্ত খাবার উৎপাদনকারী এসব কারখানা উচ্ছেদ করে। এ সময় চারটি প্রতিষ্ঠান ছিলগালা করে দেওয়া হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট  মো. শামছুল আলমের নের্তৃত্বে ও পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা মহানগরের পরিদর্শক ও সহকারী পরিচালকের উপস্থিতিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের অফিস থেকে ১০ সদস্যের পুলিশ ফোর্স ও হাজারীবাগ থানার  ৪ সদস্যের পুলিশ ফোর্স এ এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

অভিযানে পর পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, ট্যানারি কারখানার প্রস্তুতকৃত চামড়ার উচ্ছিস্ট অংশ স্কিমিং করে কারখানাগুলো এ সকল প্রতিষ্ঠানে ট্যানারি বর্জ্য বিক্রয় করে। পরে বর্জ্যগুলোকে খোলা আকাশের নিচে শুকিয়ে কতগুলো ট্যাংকে উত্তপ্ত করা হয়। এর ফলে অসহ্যকর দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়।

ট্যানারি কারখানায় চামড়া পাকা করতে ক্রোমিয়ামসহ আরও অনেক ভারী ধাতব যৌগ ব্যবহার করা হয়। এসকল ধাতব যৌগ মানুষের শরীরে ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগের সৃষ্টি করে। এ ধাতব যৌগগুলো খাদ্যশৃঙ্খলের মাধ্যমে চামড়া থেকে পর্যায়ক্রমে মুরগি ও মাছের শরীরে এবং পরে মুরগি ও মাছ থেকে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান এক পত্রে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ সকল কারখানা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে অনুরোধ করলে পরিবেশ অধিদপ্তর হতে এসকল কারখানাকে প্রথমে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ এ নির্দেশ অমান্য করে কারখানা পরিচালনা অব্যাহত রাখে। পরে এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের পরিচালক মো. আলমগীর কারখানাসমূহ উচ্ছেদের জন্য টিম গঠন করেন।
 
প্রসঙ্গত, হাজারীবাগ এলাকার ট্যানারি কারখানাসমূহ দু’ভাবে পরিবেশের ক্ষতি করে। প্রথমত, তারা চামড়া প্রস্তুতকালে অপরিশোধিত তরল বর্জ্য সরাসরি ড্রেনের মাধ্যমে নদীতে ফেলে। দ্বিতীয়ত,  কারখানাগুলো চামড়ার উচ্ছিস্টাংশ কোনরূপ ব্যবস্থাপনা ছাড়াই মুরগির খাবার প্রস্তুতকারী কারখানায় বিক্রয় করে।

এসকল কঠিন বর্জ্য বিক্রি না করে কোন নির্দিষ্ট স্থানে সিল করে রেখে এ্যানারোবিক ডাইজেশ্চনের মাধ্যমে একদিকে যেমন মিথেন গ্যাস তৈরি করা সম্ভব অন্যদিকে এরূপ ডাইজেশ্চেনের চেম্বারের অবশিষ্ট সামান্য অংশ পরিবেশসম্মত উপায়ে পুড়িয়ে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্য ট্যানারি কারখানায় ইটিপি স্থাপনের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাভারে প্রকল্প কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: না’গঞ্জে নকল এনার্জি ড্রিংকস কারখানা সিলগালা
Previous Health News: মাদকে বাঁধা জীবন

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')