ডায়েট সোডা দাঁতের এনামেলের মারাত্মক ক্ষতি করে যেমনটি করে ‘মেথামফেটামাইন’ কিংবা কোকেইন। জার্নাল জেনারেল ডেনটিসট্রি’তে প্রকাশিত গবেষনা ফলাফল থেকে এটি জানা যায়। ডঃ মোহামেদ
ব্যাসাউনি তিন জনের উপর এই গবেষনাটি পরিচালনা করেন যাদের একজন সোডা পানকারী, একজন মেথামফেটামাইনে আসক্ত ছিলেন আর অন্যজন কোকেইন সেবন করতেন।
আপনি যদি একজন কোকপানকারীর দাঁত আর একজন মেথ’ গ্রহনকারীর দাঁত পাশাপাশি রেখে দেখেন, তাহলে দেখতে তাহলে পাবেন দাঁত ক্ষয়ের তীব্রতা, ক্ষতির মাত্রা কমবেশি প্রায় একই – ‘হেলথ ডে’কে বলেন ব্যাসাউনি, যিনি টেম্পল ইউনিভারসিটি’র কর্নবার্গ স্কুল অব ডেনটিসট্রি’র একজন অধ্যাপক। গবেষনায় তিনজনের একজন মহিলা, বয়স ৩০ এর কোঠায়, যিনি তিন থেকে পাঁচ বছর ধরে দিনে প্রায় দুই লিটারের অধিক ডায়েট সোডা পান করতেন। আর অন্য দুইজন যাদের একজনের বয়স ২৯ যিনি মেথামফেটামাইন ব্যবহার করতেন আর অন্যজন, বয়স ৫১ যিনি কোকেইন সেবন করতেন। এই তিনজনের আর্থ-সামাজিক অবস্থা প্রায় একই ধরনের যারা শহর এলাকায় বাস করতেন এবং ফ্লোরাইড সম্মৃদ্ধ পানি ব্যবহার করতেন।
একাডেমি অব জেনারেল ডেনটিসট্রি’র প্রেস বিজ্ঞপ্তি মতে তিনজনের দাঁতেরই এনামেলের মারাত্মক ক্ষয় দেখা গেছে যার প্রধান কারন এসিড। আর এনামেলের ক্ষয় হলে দাঁত মারাত্মকভাবে নাজুক হয়ে পড়ে, ক্যাভিটিসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায় ডায়েট সোডা, মেথামফেটামাইন, কোকেইন – সবগুলিতেই উচ্চমাত্রার এসিড থাকে।
২০১১ সালে হাফিংটন ব্লগ পোস্টে লিখেছিলেন নিউইয়র্ক সিটির কসমেটিক ডেনটিস্ট ডঃ থমাস পি কোনেলি যিনি মত দিয়েছিলেন ডায়েট সোডা যে দাঁতের ক্ষতি করে এটা নতুন নয়। প্রমানস্বরুপ তিনি বলেছিলেন ডায়েট সোডা দুইধরনের ক্ষতি করে। এক, এতে প্রচুর সুগার থাকে যা দাঁতের জন্য খুবই ক্ষতিকর। আর দুই, এর এসিডিক উপাদান যার পিএইচ মাত্রা প্রায় ০-১৪ পর্যন্ত। অথচ ব্যাটারী এসিড ১ মাত্রার, ট্যাপের পানির মাত্রা ৭ (যদিও এখানে উচ্চ মাত্রা মানে কম এসিডিক)।

