চিনিকে মনে করা হয় হৃদরোগ, মস্তিস্কের রোগ আর স্থুলতার জন্য দায়ী। আর এগুলোর জন্যই বাজারে চিনির অনেক বিকল্প বাজারজাত হচ্ছে। কিছু বিকল্প আছে যেগুলি উপকারী আবার কিছু কিছু বিকল্প
মূল সমস্যার চাইতেও ভয়াবহ সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী। আসুন এসব বিকল্প সম্পর্কে জেনে নেই
সবচেয়ে বাজে বা ক্ষতিকর সুগার
উচ্চ ফ্রুকটোজযুক্ত কর্ন সিরাপ – মনুষ্য তৈরী সুগারের মধ্যে উৎপাদনে সস্তা যা আপনার লিভার বা যকৃতের ক্ষতি করতে পারে। বেশি পরিমানে ফ্যাট জমা করে।
এসপারটেম – মস্তিস্ক এবং বিভিন্ন অংগের কার্যাবলিতে নেগেটিভ প্রভাব ফেলে। খাবার আমিষের পরিমান বাড়িয়ে এর প্রভাব কিছুটা হ্রাস করা সম্ভব।
কার্যকারীতায় একইরকম চিনির বিকল্প চিনি
মধু – প্রাকৃতিক মধুতে অনেক পুষ্টি গুনাগুন থাকে। তবে প্রক্রিয়াজাত করার পর চিনির মত একই গুনসম্পন্ন হয়ে পড়ে।
বাদামী সুগার – এটি চিনিই শুধু রংটা আলাদা।
এগেইভ সিরাপ – এতে চিনির চাইতেও বেশি ক্যালরী বিদ্যমান। আর চিনির চাইতে মিস্টি। তাই অবশ্যই এর ব্যবহার সীমিত রাখা উচিত। আসলে এটিও চিনি।
চিনির চাইতে শ্রেয়
সুগার এলকোহল যেমন জাইলিটোল। এতে চিনির চাইতে কম ক্যালরী আছে। এটিতে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক বিরোধী গুন আছে। তবে মনে রাখতে হবে এটি অন্যান্য সুগার এলকোহলের মত পরিপাক ক্রিয়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। পেট ফাঁপা, বুক জ্বালা-পোড়া আর পাতলা পায়খানা মত অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।
স্টেভিয়া – হার্ব থেকে তৈরী চিনির বিকল্প হার্বাল চিনি। অন্য যে কোন বিকল্পের চাইতে অনেকটা নিরাপদ।
বিঃদ্রঃ যারা স্থুলকায় বা যাদের ডায়াবেটিসের পারিবারিক ইতিহাস আছে অথবা যাদের রক্ত সুগার জনিত সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে চিনির স্বাদও দেহে চর্বি জমাতে ও রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তার মানে আপনি যদি জিরো ক্যালরী চিনি বা বিকল্পও গ্রহণ করেন তাহলেও চিনির খারাপ প্রভাবে আক্রান্ত হতে পারেন। তাই আপনি যদি এই ক্যাটেগরীতে পড়েন, তাহলে আপনার উচিত হতে চিনিকে একেবারেই বাদ দেয়া।

