home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

শিশুর এডেনয়েডে প্রদাহ
২৬ নভেম্বর, ১৩
Tagged In:  Child Health  child care  
  Viewed#:   118

baby-coldএডেনয়েডে শিশুদের রোগ। এটা এক ধরনের লিম্ফয়েড টিস্যু, যা নাকের পেছনে গলবিলের উপরি ভাগে থাকে। সাধারণত দুই বছরের নিচের শিশুদের এডেনয়েড শুরু হয়, সাত বছর বয়সে বড় হয় এবং বারো বছর বয়সে সম্পূর্ণ মিলিয়ে যায়। তিন থেকে বারো বছরের মধ্যে যদি উপরের শ্বাসনালির বা এডেনয়েডের ইনফেকশন হয় তাহলে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।

উপসর্গ : শিশুর এডেনয়েডের জন্য উপসর্গ গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
* নাক বন্ধ থাকা, গলবিল এবং মধ্য কর্ণের সংযোগকারী ইউস্টাশিয়ান টিউব বন্ধ থাকা  

ইনফেকশন অথবা প্রদাহ থাকা
নাক বন্ধজনিত উপসর্গ
* শিশু মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়
* সর্দি পড়তে থাকে
* শিশু মুখ হাঁ করে ঘুমায়
* সাইনোসাইটিস হতে পারে
* নাকের স্বরে কথা বলা
* ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা
* ঘুম ভেঙে গেলে জোরে জোরে শ্বাস নেয়া।
* ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে

ইউস্টাশিয়ান টিউব বন্ধ থাকার উপসর্গ
* মাঝে মাঝে কানে ব্যথা হয়।
* পর্দার পেছনে মধ্য কর্ণে পানি (ঊভভঁংরড়হ) জমে, যাকে অটাইটিস মিডিয়া উইথ ইফিউশন বলে।
* কানে কম শোনা
* অনেক সময় মধ্যকর্ণে ইনফেকশন হতে পারে
* স্কুলের পড়া লেখায় মনোযোগ কম হয়
* রেডিও-টেলিভিশন উচ্চ শব্দে শোনে

এডেনয়েডের জন্য জটিলতা

*শিশুর খেতে কষ্ট হয়- তাই শিশু এডেনয়েডের জন্য মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়।
* খেতে অনেক সময় লাগে।
* পড়া লেখায় অমনোযোগী হয়।
* শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়।
* নাকের স্বাভাবিক বৃদ্ধি হয় না বলে নাক ছোট হয়ে যায়।
* নাক ও মুখের মাঝখানের খাঁজ থাকে না।
* মুখ দিয়ে লালা গড়িয়ে পড়ে।
* সামনের দাঁত উঁচু এবং এলোমেলো হয়ে যায়।

এই উপসর্গ গুলো থাকলে মুখমণ্ডল ভাবলেশহীন হয়ে যায় এবং আই কিউ কমে যায়। একে এডেনয়েড ফেসিস বলে। এ ধরনের শিশুর মুখ দেখলেই চেনা যায়।

রোগ নির্ণয় : রোগের ইতিহাস, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং এক্সরের মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করা যায়।

চিকিৎসা : এডেনয়েড যদি অল্প পরিমাণে বড় হয় তাহলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়।কিন্তু বেশি বড় হয়ে গেলে এবং শ্বাসনালিকে বাধাগ্রস্ত করলে এবং কোনো উপসর্গ দেখা দিলে অপারেশন করা ভালো।

সূত্র - যুগান্তর.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: টমেটোর অনেক গুণ
Previous Health Tips: বিয়ের আগে দাঁতের যত্ন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')