home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

দীর্ঘায়ু লাভের সুন্দর উপায়
২৮ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  long-lived  
  Viewed#:   356

দীর্ঘ জীবন লাভে কে না আগ্রহী। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ, পরিমিত আহার, জিম, এক্সারসাইজ এতো সবের পরও মেলে না দীর্ঘ জীবন। তবে বিজ্ঞানীরা সম্পূর্ণ বিনা খরচায় দীর্ঘায়ু লাভের এক অভূতপূর্ব তথ্য দিয়েছেন। আর তা হচ্ছে আপনি যদি পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটা সুখের রাজত্ব গড়তে পারেন তবে লাভ করতে পারেন দীর্ঘ জীবন।ব্যক্তি ও পারিবারিক সুখই আপনাকে এনে দিতে পারে দীর্ঘায়ু লাভের সেই কাঙ্ক্ষিত সোনার কাঠি।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, যারা সুখী, সৃষ্টিশীল এবং অন্যের অনিষ্ট কামনা করেন না তাদের অকাল মৃত্যুর হার শতকরা ৩৫ ভাগ হ্রাস পেতে পারে। আর এই আশাব্যঞ্জক তথ্য দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন এর স্বাস্থ্য মনোবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু স্টেপটো।

দীর্ঘ ৫ বছর মেয়াদী গবেষণায় ৫২ থেকে ৫৭ বছর পর্যন্ত বয়সী ৩ হাজার ৮ শ' লোকের ওপর জরিপ চালিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।এই দীর্ঘ মেয়াদী ব্রিটিশ এজিং স্ট্যাডিতে গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত নাগরিকদের সুখ ও উদ্বেগ সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন স্থান পায়। বিজ্ঞানীরা দেখতে পান যারা সুখী তাদের মৃত্যু ঝুঁকি শতকরা ৩৫ ভাগ কম যারা অপেক্ষাকৃত কম সুখী বা উদ্বেগের মধ্যে দিয়ে চলতে হয় তাদের অপেক্ষা। এখানে বিশেষজ্ঞগণ পরিবারের সুখকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

মনোবিজ্ঞানী স্টেপটো আরও মনে করেন তার এই নতুন গবেষণা মধ্যবয়স্ক লোকদের সুখী জীবন যাপনে উদ্বুদ্ধ করবে এবং তারা পরিবার ও কর্মক্ষেত্রে শান্তিময় থাকতে চেষ্টা করবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, অনেকে হয়ত-বা প্রশ্ন করতে পারেন সুখের সাথে দীর্ঘ জীবনের আবার কী সম্পর্ক থাকতে পারে।

তার কথা, যারা কম দুশ্চিন্তা গ্রস্ত থাকেন এবং সদা সুখী থাকতে চান তাদের ক্ষতিকর স্ট্রেস হরমোন কম নিঃসৃত হয়।

তিনি জানান, এমনটি ভাববার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে যে, সুখী জীবনের সঙ্গেদীর্ঘ জীবনের কোন বায়োলজিক্যাল প্রসেসের সম্পর্ক রয়েছে। মানুষ যেমুহূর্তে অধিক সুখী থাকে এবং সুন্দর অনুভূতিগুলো জাগ্রত হয় তখন কর্টিসোলনামের স্ট্রেস হরমোন কম নিঃসৃত হয়। আর এই হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে দীর্ঘায়ু লাভ করা যায়। এটাই গবেষণার প্রধান উপাত্ত।

শুধু পারিবারিক সুখই নয়, আপনি যদি অফিসের বস হন আর যদি সারাক্ষণ অধীনস্তদের সাথে তিক্ততাপূর্ণ আচরণ করেন তাহলেও আপনার স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যেতে পারে যা দীর্ঘায়ু লাভের অন্তরায় হতে পারে। আপনিও স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তাই শুধু পরিবারের সুখ নয়, সমাজের সর্বক্ষেত্রে সুখী হতে চেষ্টা করুন।


সূত্র - poriborton.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: দ্রুতই কমবে পেটের মেদ
Previous Health Tips: থাইরয়েড হরমোন-থাইরক্সিন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')