.jpg)
আপনি কি পঞ্চাশোর্ধ? আপনার স্বাস্থ্য কি নিয়ন্ত্রণে? হ্যাঁ, স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানোর ভাল সময় হচ্ছে মধ্যবয়স। এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সুবিধা পেতে বিনিয়োগের আসল সময়। কিন্তু কীভাবে? প্রথমত আপনাকে জানতে হবে কী কী আপনি কন্ট্রোল করতে পারবেন না। এরপর আপনাকে ভাবতে হবে কোন কোন বিষয়ে বা দিকে বা অভ্যাসে পরিবর্তন আনা সম্ভব। এবং তা অবশ্যই ভালোর জন্য।
চলুন জেনে নেয়া যাক এই বয়সে আপনি কী কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না...
নীচের বিষয়গুলো যদিও আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, তথাপি স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে হলে এগুলোকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। যেমনঃ
বয়স
বয়সকে তো আর ধরে রাখা যায় না! বয়স বাড়ার সাথে সাথে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শরীরেরও কিছু কিছু পরিবর্তন হতে থাকে। এটা খুবই স্বাভাবিক এবং এটা অবশ্যম্ভাবী। যদিও আমাদের শরীরে কিছু সিসটেম আছে যা কোন ক্ষত কিংবা কোন অসঙ্গতি আপনা থেকেই মেরামত করতে সক্ষম। কখনো কখনো এগুলো ভেঙ্গে গেলে এবং সময়ের ধারাবাহিকতায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেশি হয়ে গেলে, তখন আর মেরামত করা দূরহ হয়ে পড়ে।
ফ্যামিলি হিস্ট্রি বা পারিবারিক ইতিহাস
যদি আপনার নিকট পূর্ব প্রজন্মে কারো স্বাস্থ্য সমস্যা যেমন হৃদরোগ, ক্যানসার ইত্যাদির ইতিহাস থাকে, তাহলে আপনিও ঐ সব রোগের ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন। কারন জিনগত কিছু বৈশিষ্ট্য বা জিনগত একটা লিংক থেকে যায়। কিন্তু লাইফ স্টাইলে তো আর লিংক থাকে না। কাজেই লাইফ স্টাইল চেঞ্জ করে অনেক ক্ষেত্রেই ঐ সব প্রতিরোধ করা সম্ভব।
যে সব বিষয় বা ফ্যাক্টর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব
হ্যাঁ, এ সব ফ্যাক্টরগুলো নিয়ন্ত্রণ করা গেলে আপনার স্বাস্থ্যের একটা ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন সাধন করা সম্ভব। আর এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আপনি জীবনকে হয়তো অজেয় করতে পারবেন না, তবে স্বাস্থ্যকে জয় করতে পারবেন নিশ্চিত। যেমনঃ
ধুমপান করবেন, কি করবেন না?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে প্রতি বছর তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারের কারনে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করে। যার প্রায় ৮০ শতাংশই নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোতে ঘটে। যদি আপনি তাদেরই একজন হতে না চান, তবে আজই ধুমপানকে বিদায় করুন। এক্ষেত্রেই আপনার ইচ্ছাই যথেষ্ট। এই একটা অভ্যাসের পরিবর্তনই আপনার স্বাস্থ্যের আমূল উন্নতি ঘটাতে পারে।
কী খাবেন আর কী খাবেন না?
খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যসম্মত ও সুষম খাবারের দিকে আপনার ঝোঁক, আপনাকে বহু মারাত্মক জীবন সংহারী রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। যার মধ্যে আছে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, কিছু কিছু কমন ক্যানসার ইত্যাদি। সুতরাং আজই নির্ধারন করুন, প্রয়োজনে তালিকা তৈরী করুন কী কী খাবেন আর কী কী খাবেন না।
কতটুকু পরিশ্রম করবেন বা কর্মচঞ্চল থাকবেন?
কথায় বলে, পরিশ্রমি হউন, বেশিদিন বাঁচুন। তবে বেশিদিন বাঁচবেন কি-না, তার চেয়ে বড় কথা, ভালভাবে বাঁচুন। শারীরিক পরিশ্রম কী কী উপকার করে – এ বিষয়ে হাজারো রকমের গবেষণা হয়েছে এবং হচ্ছে। যেমন শারীরিক পরিশ্রমের ফলে মেজাজ-মর্জির উন্নতি, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোসহ অসংখ্য উপকারের কথা বলা হয়েছে। অতএব, আজই শুরু করুন...
হেলথ বীট অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১

